ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ইরান যুদ্ধের কারণে ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছুঁতে পারে তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম

ইরান যুদ্ধের কারণে ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছুঁতে পারে তেলের দাম

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে নজিরবিহীন জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে তেল ও গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, আর এর প্রভাব ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পড়তে শুরু করেছে। এরইমধ্যে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো সতর্ক করে বলছে, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। 

ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ কমে গেছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল সংকটগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরবরাহে এই ধাক্কার মধ্যে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো সতর্ক করে বলছে, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চাহিদা কমানোর জন্য ইচ্ছাকৃতভাবেও দাম বাড়তে দেওয়া হতে পারে, যা সংকটের গভীরতাই তুলে ধরে।

এই জ্বালানি সংকট সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে এশিয়ায়। পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ তীব্র জ্বালানি ঘাটতির মুখে পড়েছে। আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

শুধু তেল নয়, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহেও বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফলে বৈশ্বিক গ্যাস সংকটও চরমে পৌঁছেছে, বিশেষ করে যেসব অঞ্চল এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপেও ডিজেলের ঘাটতির আশঙ্কা বাড়ছে, যা ইতোমধ্যেই চাপের মধ্যে থাকা জ্বালানি বাজারকে আরও অস্থির করে তুলছে।

এই সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেক দেশ ইতোমধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা ও রেশনিং চালু করেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সংকট কতটা গুরুতর এবং ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে।

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিকল্প পথে সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে যে পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন হতো, তা পুরোপুরি পূরণ করা তাদের পক্ষে কঠিন।

এছাড়া কিছু দেশ জরুরি প্রয়োজনে বৈশ্বিক তেলের মজুত ব্যবহার শুরু করেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি সাময়িক সমাধান দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটাতে যথেষ্ট নয়।

সরবরাহ বিঘ্ন, মূল্যবৃদ্ধি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। সংঘাত যত দীর্ঘায়িত হবে, ততই অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি

এএন

Link copied!