ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর আলোচনায় হাসিনা-কামালের সম্পদ

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ১১:৪১ এএম

ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর আলোচনায় হাসিনা-কামালের সম্পদ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড এবং তাদের সব সম্পদ রাষ্ট্রীয়ভাবে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়ার পর দুই সাবেক নেতার প্রকৃত সম্পদ নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়, জুলাই ঘটনাবলীতে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই সঙ্গে ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে সম্পদ বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে দাখিল করা হলফনামায় শেখ হাসিনা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য তুলে ধরেছিলেন।

মোট সম্পদের মূল্য ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, হাতে নগদ ২৮,৫০০ টাকা, ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, সঞ্চয়পত্র ২৫ লাখ টাকা, এফডিআর ৫৫ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, আসবাব ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যানবাহন তিনটি (এদের মধ্যে একটি উপহার, বাকি দুটির মূল্য ৪৭.৫ লাখ টাকা)।

হলফনামায় শেখ হাসিনা জানিয়েছিলেন তার নামে রয়েছে, ১৫.৩ বিঘা কৃষিজমি, যার ক্রয়মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৩ তলা ভবনসহ ৬.১০ শতক জমি, যার ক্রয়মূল্য ৫ লাখ টাকা, পূর্বাচলে একটি প্লট, মূল্য ৩৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, গাজীপুরের মৌচাক–তেলিরচালা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসংলগ্ন পরিবারের বাগানবাড়িটির জমি ১৯৭০ সালের দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর নামে দেন। পরবর্তীতে উত্তরাধিকারসূত্রে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা জমির মালিক হন। 

পরবর্তী সময়ে তাদের সন্তানরাও অংশীদার হন। পরিবারটির নামে জমির পরিমাণ ২৯৭ শতক, প্রায় ৯ বিঘা।

দুদকের তথ্যমতে, ২০০৮ সালের নির্বাচনী হলফনামায় শেখ হাসিনা নিজের নামে ৬.৫০ একর জমি দেখালেও তদন্তে দেখা যায় তার নামে তখন ২৮ একর ৪১ শতক জমি ছিল। এ নিয়ে দুদক নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিল।

এ ছাড়া পরিবারটির সদস্যদের নামে পূর্বাচলে ৬ জনকে ১০ কাঠা করে মোট ৬০ কাঠা জমি বরাদ্দের বিষয়ে দুদকের মামলা চলমান।

ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের মালিকানায়। সজীব ওয়াজেদ ও সায়মা ওয়াজেদের নামে রয়েছে সুধা সদন।

আসাদুজ্জামান খান কামালের সম্পদ

ঢাকা-১২ থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সময় জমা দেওয়া হলফনামায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে সম্পদের বিবরণ দিয়েছিলেন তা হলো, হাতের নগদ ৮৪ লাখ টাকার বেশি, ব্যাংকে ৮২ লাখ টাকার মতো, বন্ড ও শেয়ার ২৪ লাখ টাকা, ডাকঘর–সঞ্চয়পত্র–এফডিআর ২ কোটি ১ লাখ টাকা, মোটরগাড়ি দুইটি ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা, ইলেকট্রনিকস ও আসবাব ২ লাখ টাকা, ব্যবসায়িক ঋণ/মূলধন ২ কোটি ২০ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ১০ ভরি (মূল্য উল্লেখ নেই)।

কৃষিজমি ১৭১ শতাংশ (৫ বিঘার বেশি), ক্রয়মূল্য ১ কোটি ৬ লাখ টাকা, অকৃষি জমি ১৮.৫ শতাংশ, মূল্য ৫৮.৫ লাখ টাকা, গ্রামের বাড়ির সম্পদ ৮০ লাখ টাকা, আরেকটি আবাসিক সম্পদ ১৩ লাখ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী আসাদুজ্জামান খানের মোট সম্পদ দাঁড়ায় প্রায় ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা (সোনার মূল্য বাদে)।

দুদকের অভিযোগ, জ্ঞাত আয়ের বাইরে তার আরও ১৬ কোটি ৪২ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে, যা ‘অসাধু উপায়ে অর্জিত’ বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ আছে।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা অপসারিত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। আসাদুজ্জামান খানের অবস্থানও ভারতেই বলে তথ্য পাওয়া যায়।

রায় অনুযায়ী, তাদের স্থাবর–অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইএইচ

Link copied!