ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

২২ আসামির বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযোগপত্র

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ২, ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম

২২ আসামির বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযোগপত্র

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে সিআইডি।

বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী এই চার্জশিট জমা দেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সাতটি ধারায় অপরাধের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগপত্রে নাম থাকা উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন— চায়ের চুমুক কফিশপের আনোয়ারুল হক ও ইকবাল হোসেন কাউসার, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের মো. রমজানুল হক নিহাদ ও মুন্সি হামিমুল আলম বিপুল, কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের মো. সোহেল সিরাজ ও জেইন উদ্দিন জিসান এবং জেস্টি রেস্টুরেন্টের মোহর আলী পলাশসহ বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিক ও ব্যবস্থাপক।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভবনটিতে রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছিলেন। সেখানে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার ও ইলেকট্রিক ওভেন ব্যবহারের ফলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যাতে ৪৬ জন প্রাণ হারান।

চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভবনটির দুই স্পেস মালিক এ কে নাসিম হায়দার ও ক্যাপ্টেন সরদার মো. মিজানুর রহমান তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলেও তারা মারা যাওয়ায় তাদের নাম মামলার দায় থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া আনোয়ার হোসেন সুমন ও শফিকুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদেরও অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন নিহত এবং ১১ জন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেছিল। সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে, বিধিমালা লঙ্ঘন করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানোর কারণেই এই অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!