ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

আদমশুমারিকে যে কারণে বলা হচ্ছে জনশুমারি 

মো. মাসুম বিল্লাহ

জুন ১৫, ২০২২, ০৮:০১ পিএম

আদমশুমারিকে যে কারণে বলা হচ্ছে জনশুমারি 

১১ বছর পর আজ থেকে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২’। সপ্তাহব্যাপী চলানো এ কার্যক্রম শেষ হবে আগামী ২১ জুন। যা বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। 

প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই কার্যক্রম করা হয়েছে। সর্বশেষ জনশুমারি করা হয়েছিল ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। সাধারণত প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়ে থাকে। তবে বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতিরি কারণে গত বছর আদমশুমারি করা সম্ভব হয়নি। 

কিন্তু কেন এবারের আদমশুমারিকে ডিজিটাল জনশুমারি বলে বর্ণনা করছেন কর্মকর্তারা, অন্য বছরের তুলনায় এই শুমারিতে কী পার্থক্য রয়েছে?

এর আগে আদমশুমারি বলা হলেও এবার এই জরিপকে জনশুমারি বলা হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলেন, এর আগে যে আদমশুমারি বা জনশুমারিগুলো করা হয়েছে, সেগুলো কাগজে-কলমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। তার সাথে প্রযুক্তির ব্যবহার খুব বেশি ছিল না। কিন্তু এবার প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

১৯৭৪ সাল থেকে শুরু করে এর আগে বাংলাদেশে পাঁচটি আদমশুমারি করা হয়েছে। উপমহাদেশের অন্যান্য দেশগুলোতেও প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়ে থাকে। এর মাঝে অবশ্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা অর্থসহ নানাখাতের জরিপ করে থাকে কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে জনশুমারি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ দিলদার হোসেন বলেন, ‘এবার পুরো তথ্য সংগ্রহের কাজটি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে করা হচ্ছে। মাঠ থেকে আমাদের তথ্য সংগ্রহকারীরা আইটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করে এই কাজটি করছেন। শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহের কাজটিতে মানুষের সংশ্লিষ্টতা আছে। কিন্তু সেই তথ্য প্রক্রিয়া করা, যাচাই-বাছাই, পর্যালোচনার সব কাজ ডিজিটাল অবকাঠামো, সফটওয়্যার ব্যবহার করে করা হচ্ছে।’ 

তিনি আরো জানান, এর আগে জনশুমারি কাগজে কলমে করা হলেও এবার পুরো প্রক্রিয়াটি করা হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ২৩ লাখ। প্রতি ১০ বছরে অন্তত দুই কোটি জনসংখ্যা বাড়ে বলে ধারণা করা হয়।

এজন্য মাঠ পর্যায়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি যে তথ্য সংগ্রহকারীরা কাজ করছেন, তাদের ট্যাব দেয়া হয়েছে। তথ্য সংগ্রহের সময় তারা সেই ট্যাবে তথ্য প্রবেশ করাচ্ছেন। এরপর ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেটি মূল সার্ভারে চলে আসছে। 

এভাবে করার মাধ্যমে একই ব্যক্তি বা বাড়ি দুইবার গণনা হওয়ার সুযোগ থাকবে না বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Link copied!