ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সঙ্গে গ্রেফতার কে এই মোল্লা মাসুদ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৭, ২০২৫, ০৫:৩৮ পিএম

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সঙ্গে গ্রেফতার কে এই মোল্লা মাসুদ

বাংলাদেশের অপরাধজগৎ দীর্ঘদিন ধরে একাধিক শীর্ষ সন্ত্রাসীর দখলে ছিল, যাঁদের প্রভাব রাজধানীর রাজপথ থেকে শুরু করে সরকারি প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত বিস্তৃত। তাঁদের অনেকে বহু বছর ধরে দেশের বাইরে পালিয়ে থাকলেও দেশে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের ঘটনায় ঘুরেফিরে আলোচনায় উঠে আসেন তাঁরা। আজ মঙ্গলবার সকালে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে আলোচনায় এসেছে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী মোল্লা মাসুদের নাম। তাঁকেও গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে গ্রেপ্তার ২ শীর্ষ সন্ত্রাসী

আজ সকালে কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিন ঘণ্টাব্যাপী এক গোপন অভিযান শেষে গ্রেপ্তার করা হয় সুব্রত বাইন ও তাঁর এক সহযোগীকে। ঘটনাটি ঘটে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে, সোনার বাংলা মসজিদ সড়কের মীর মহিউদ্দিনের তিনতলা বাড়িতে। সেনাসদস্যরা ভোরে চারটি গাড়ি নিয়ে অভিযান চালিয়ে ভবন ঘিরে ফেলেন এবং নিচতলা থেকে দুজনকে আটক করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে মুখ না খুললেও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে আসে আতঙ্ক ও চমকে ওঠার চিত্র। বাড়ির নিচতলায় প্রায় দেড় মাস ধরে ভাড়া থাকা দুজনের পরিচয় জানার পর এলাকায় ভয় ও উৎকণ্ঠার আবহ ছড়িয়ে পড়ে।

মোল্লা মাসুদ: ঢাকার অপরাধজগতের এক কিংবদন্তি অপরাধী

সুব্রত বাইনের সঙ্গে আলোচনায় আসা আরেক নাম মোল্লা মাসুদ। মতিঝিল-গোপীবাগের ত্রাস হিসেবে একসময় পরিচিত এই সন্ত্রাসী বহু বছর ধরে ভারতের মাটিতে আত্মগোপনে ছিলেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং বাংলাদেশের র‍্যাব ও ডিবির বরাত অনুযায়ী, মাসুদ কলকাতায় বসবাস করতেন ‘আবু রাসেল মো. মাসুদ’ নামে এবং এক ভারতীয় নাগরিক রিজিয়া সুলতানাকে বিয়ে করে দীর্ঘদিন সেখানে অবস্থান করছিলেন।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভারতের মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতা পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস) তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ব্যারাকপুর থানা-পুলিশ ও কলকাতার সিআইডি যৌথভাবে তাঁকে দুই দফায় ১৮ দিনের রিমান্ডে নেয়। তাঁকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ভাগ করে নেয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

মোল্লা মাসুদের অপরাধজগতের পরিচিতি

মোল্লা মাসুদের বিরুদ্ধে রয়েছে ৩০টির বেশি মামলা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মামুন হত্যা, পুরান ঢাকার ‘মুরগি মিলন’ হত্যাকাণ্ড, খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ায় ট্রিপল মার্ডার এবং রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজির অসংখ্য অভিযোগ।

তিনি মূলত ঢাকার বড় ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন এবং সেই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পৌঁছে যেত। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, মগবাজারের একটি বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এমনকি ঈদ মৌসুমে পশুর হাট পর্যন্ত তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকত।

সুব্রত বাইন ও মাসুদের সম্পর্ক

ঢাকার অপরাধজগতের একসময়কার শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ছিলেন মোল্লা মাসুদের ‘গুরু’। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ঘোষিত ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন ছিলেন সুব্রত বাইন। তাঁর নামে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি রয়েছে। অনেক আগেই ধর্ম পরিবর্তন করে তিনি ভারতে গা ঢাকা দেন। 

অপরদিকে মাসুদও সরকারের ঘোষিত তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের একজন। এমন পরিস্থিতিতে সুব্রত বাইনের গ্রেপ্তারের পরপরই মাসুদের নাম নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

আরএস

 

Link copied!