আমার সংবাদ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
আজ ১২ ফেব্রুয়ারি, বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। দেশের ২৯৯টি আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ সারাদেশে নজিরবিহীন ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশ ও আনসারের ৭ লাখের বেশি সদস্য মূল দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া ১ লাখ ৩ হাজার সেনাসদস্য দেশজুড়ে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন আছেন। ৫টি জেলার ১৭টি বিশেষ আসনে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় ৮ হাজার ৫০০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবারের নির্বাচনের অন্যতম বিশেষত্ব। ভোটকেন্দ্রে কারচুপি ও সহিংসতা ঠেকাতে প্রথমবারের মতো ২৫ হাজার পুলিশ সদস্য বডি-ওর্ন (শরীরে পরিহিত) ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া আকাশপথে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য ৫০০-এর বেশি ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় টহল জোরদার করেছেন। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও হেলিকপ্টার ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অপরাধ দমনে এবং তাৎক্ষণিক বিচারকার্য পরিচালনার জন্য সহস্রাধিক নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে অবস্থান করছেন।
সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। ৫০টি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে এই ভোটকে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। ভোটাররা যেন কোনো ভয়-ভীতি ছাড়াই তাঁদের নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
জেএইচআর