ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আকবর সোবহানের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আকবর সোবহানের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক

ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে ৫৭৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বসুন্ধরা চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের পাশাপাশি তার ছেলে বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিয়াত সোবহান এবং পরিচালক ময়নাল হোসাইন চৌধুরী থাকছেন আসামির তালিকায়।

এছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির দিলকুশা শাখার তৎকালীন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ক্রেডিট কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা, প্রধান কার্যালয়ের ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কর্মকর্তা এবং ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও একাধিক পরিচালককেও মামলার আসামি করা হচ্ছে।

দুদকের অভিযোগ, “আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের প্রচলিত নিয়ম লঙ্ঘন করে অপর্যাপ্ত জামানত, ফিক্সড ও ফ্লোটিং চার্জ এবং ফোর্টনাইট স্টক রিপোর্ট ছাড়াই ঋণ অনুমোদন করেন।”

বড় অংকের ঋণ অনুমোদনের আগে গ্রাহকের ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা যাচাই করা হয়নি বলেও মামলায় অভিযোগ করা হচ্ছে।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের দায়দেনা পর্যালোচনা না করে এবং কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন প্রতিবেদন ছাড়াই ঋণ অনুমোদন করা হয়।

ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির ‘পলিসি অ্যান্ড প্রসিডিউরাল গাইডলাইনস অন ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট লঙ্ঘন করে’ বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের নামে ৫৭৫ কোটি টাকার ফান্ডেড ও ৭৫০ কোটি টাকার নন-ফান্ডেড মিলিয়ে মোট ১৩২৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করা হয়।

এর মধ্যে বিতরণকৃত ৫৭৫ কোটি টাকার ফান্ডেড ঋণ পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হচ্ছে মামলায়।

দুদকের তথ্যে বলা হয়েছে, ঋণের শর্ত অনুযায়ী কাস্টম, পোর্ট, পরিবহন, সি অ্যান্ড এফ চার্জ, অফিস ও গুদাম চার্জ, বাজারজাতকরণ, বিক্রয়, বিজ্ঞাপন, প্রশাসনিক ও সাধারণ ব্যয় এবং এলসি-সংক্রান্ত ব্যয় মেটানোর কথা থাকলেও তা করা হয়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঋণের ৫০৩ দশমিক ১২৫ কোটি টাকা বসুন্ধরা গ্রুপভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ট্রান্সফার ও অনলাইন ক্লিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জমা করা হয়। পরে বিভিন্ন বিল সমন্বয়, নগদ উত্তোলন এবং ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে তা ব্যবহার করা হয়।

দুদক বলছে, এভাবে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে ‘আত্মসাতকৃত’ টাকার অবৈধ উৎস ও মালিকানা ‘গোপন করার চেষ্টা’ হয়েছে।

এএন

Link copied!