ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬
অমর একুশে ঘিরে

রাজধানীজুড়ে ডিএমপি ও র‍্যাবের কয়েক স্তরের সুরক্ষা বলয়

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১২:৫২ পিএম

রাজধানীজুড়ে ডিএমপি ও র‍্যাবের কয়েক স্তরের সুরক্ষা বলয়

বাঙালি জাতির অহংকার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সেজেছে রাজধানী। একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আর এই অনুষ্ঠানকে নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীজুড়ে কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।

শুক্রবার বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, একুশের অনুষ্ঠান ঘিরে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তাশঙ্কা নেই। তবুও সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

কমিশনারের আশ্বস্তবাণী: শঙ্কা নেই, তবে প্রস্তুতি তুঙ্গে
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শহীদ দিবস ঘিরে আমরা ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য পুলিশের নিয়মিত টিমের পাশাপাশি স্পেশাল ওয়েপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকস, ডগ স্কোয়াড, বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক মোতায়েন থাকবে।

তিনি আরও জানান, সশরীরে উপস্থিতির পাশাপাশি ভার্চুয়াল জগতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাইবার মনিটরিং এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সাদা পোশাকে পুরো এলাকায় সক্রিয় থাকবে।

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদন ও প্রবেশাধিকার
কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ এবং বিদেশি কূটনীতিকরা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার জানান, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে শহীদ মিনার সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ সময় পর্যন্ত জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রুট ম্যাপ ও যাতায়াত নির্দেশিকা
শহীদ মিনারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পথ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নগরবাসীকে অবশ্যই পলাশীর মোড় হয়ে জগন্নাথ হল ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রমনা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্বর বা চানখারপুল দিয়ে বের হতে হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে শহীদ মিনারে আসার সময় কোনো ধরনের দাহ্য পদার্থ, বিস্ফোরক দ্রব্য বা ধারালো বস্তু সঙ্গে না আনার জন্য জনসাধারণের প্রতি কঠোর অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

ট্রাফিক পরিকল্পনা: সাত পয়েন্টে ডাইভারশন
একুশে ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি চলাকালীন রাজধানীর সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক ডাইভারশন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. আনিছুর রহমান। পয়েন্টগুলো হলো শাহবাগ ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং, শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, চানখারপুল ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং বকশীবাজার ক্রসিং।

র‍্যাবের ৬৪ ক্যামেরার ডিজিটাল নিরাপত্তা
দুপুরের দিকে একই স্থানে আয়োজিত পৃথক এক ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের মহাপরিচালক কে এম শহিদুর রহমান জানান, র‍্যাবের পক্ষ থেকে শহীদ মিনার এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পুরো এলাকাটি ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটর করা হবে। র‍্যাব প্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি আদায়ের নামে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক নজরে নিরাপত্তা ছক (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
ঢাকা মহানগর পুলিশ স্পেশাল ওয়েপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকস, বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড নিয়ে নিরাপত্তা দেবে এবং সাইবার মনিটরিং ও সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। র‍্যাব কয়েক স্তরের সুরক্ষা বলয় এবং সিসিটিভি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং ৬৪টি হাই ডেফিনিশন ক্যামেরা ব্যবহার করবে। ট্রাফিক বিভাগ সাতটি পয়েন্টে ডাইভারশন দেবে এবং সুনির্দিষ্ট প্রবেশ ও প্রস্থান রুট ম্যাপ নিশ্চিত করবে।

ভাষা ও দেশপ্রেমের মেলবন্ধন
তারেক রহমান সরকারের অধীনে এটিই প্রথম বড় কোনো জাতীয় দিবস পালন হতে যাচ্ছে। ফলে প্রশাসনের তৎপরতা এবং নিরাপত্তার কঠোরতা নজর কাড়ার মতো। ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য। প্রশাসনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি নগরবাসীর মনে স্বস্তি জুগিয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!