ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
নৌমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক নেভিগেশন ও নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিতে উদ্যোগ চলছে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২২, ২০২৬, ১২:০০ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক নেভিগেশন ও নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিতে উদ্যোগ চলছে

আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সমুদ্রসীমা সঠিকভাবে নির্ধারিত হলেও বিগত সরকারের উদাসীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সমুদ্রের খনিজ সম্পদ আহরণ সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর খিলখেতে বানৌজায় নৌবাহিনী আয়োজিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে সচেতনতা ও সক্রিয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক, এবং এই বন্দর দিয়ে নেভিগেশন ও জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও উৎসাহিত করতে কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে এবং তা আরও বিস্তৃত ও প্রসারিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্রসম্পদ, বিশেষ করে জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্রে জ্বালানি পাওয়া শুধু সম্ভাবনা নয়, এটি নিশ্চিত সম্পদ। তবে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে এর যথাযথ ব্যবহার ও সঠিক প্রয়োগ হয়নি। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ সমুদ্রসীমা পেলেও ভারত ও মিয়ানমার তাদের এলাকায় অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম চালালেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই সম্ভাবনার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি।

বর্তমান সরকার অফশোর এলাকায় কূপ অনুসন্ধান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং উত্তোলনের উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। একই সঙ্গে হাইড্রোগ্রাফি খাতে ধারাবাহিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নৌযোগাযোগ আরও নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসকে কেন্দ্র করে তিনি বলেন, সমুদ্র ও নৌপথের সম্ভাবনা চিহ্নিত করে সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি অর্জনের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

এম জি

Link copied!