ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কাতার আমিরের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১১:৫৮ পিএম

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কাতার আমিরের শোক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আলে সানি বাংলাদেশের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো এক শোকবার্তায় কাতারের আমির বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতিও আন্তরিক সমবেদনা জানান তিনি।

এর আগে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ এবং যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। 

রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো বার্তায় বাদশাহ বলেন, “বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ আমরা গভীর দুঃখের সঙ্গে গ্রহণ করেছি। এ শোকাবহ সময়ে আমরা আপনাদের ও মরহুমার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করছি। আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন খালেদা জিয়াকে অসীম রহমত ও ক্ষমার চাদরে আবৃত করেন, জান্নাতে সর্বোচ্চ স্থান দান করেন এবং আপনাদের সবাইকে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন।”

যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার বার্তায় বলেন, “বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদে আমরা শোকাহত। এই দুঃখজনক সময়ে আমরা আপনাদের ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি জানাচ্ছি।”

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া এবং দীর্ঘকাল কারাবরণ করেছেন। ওই সময়ে তাঁকে যথাযথ চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। উন্নত চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

মুক্তির পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। সেখানে ১১৭ দিন অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তাঁর স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতি হলেও বার্ধক্য ও দীর্ঘদিনের অসুস্থতার ধকলে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। সবশেষে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে এক মাসেরও বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

পরদিন বিকেল তিনটায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ হলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশ-বিদেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং লাখ লাখ সাধারণ মানুষ। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বেগম খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়।

ইএইচ

Link copied!