ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
নাহিদের রিট খারিজ

ঢাকা-১১ আসনে ভোটের মাঠে থাকছেন ধানের শীষের প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম

ঢাকা-১১ আসনে ভোটের মাঠে থাকছেন ধানের শীষের প্রার্থী

ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী এম এ কাইয়ুম-এর প্রার্থিতা নিয়ে চলমান আইনি টানাপোড়েনের অবসান ঘটেছে। তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দাখিলকৃত রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাইয়ুমের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গত সোমবার কাইয়ুমের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন।

 দ্বৈত নাগরিকত্ব: রিটকারীর দাবি ছিল, এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতু নামক একটি দেশের নাগরিক।

তথ্য গোপন: তিনি তাঁর হলফনামায় এই দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্যটি গোপন করেছেন, যা সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য।

তবে শুনানির সময় কাইয়ুমের আইনজীবীরা যুক্তি দেখান যে, রিট আবেদনের ভিত্তি ছিল মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু তথ্য, যার কোনো দাপ্তরিক বা আইনি ভিত্তি নেই।

শুনানি শেষে আদালত রিটটি খারিজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এম এ কাইয়ুমের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম আদালতের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন:

ঘটনাগত বিতর্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আদালত কোনো ঘটনাগত বিতর্কের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

 নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল: তফসিল ঘোষণা থেকে ফলাফল গেজেট হওয়া পর্যন্ত যেকোনো বিরোধের সমাধান হতে হবে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে, উচ্চ আদালতে রিট করে নয়।

বাতিলের সুযোগ: নির্বাচনের পরেও যদি প্রমাণিত হয় কেউ তথ্য গোপন করেছেন, তবে নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী তাঁর ফলাফল বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

অন্যদিকে, নাহিদ ইসলামের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন জানিয়েছেন, তাঁরা হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করবেন।

রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এম এ কাইয়ুম আগে থেকেই প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন। গত ৩ জানুয়ারি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ২২ জানুয়ারি তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দ পান। আজকের রায়ের পর কাইয়ুমের সমর্থক ও স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

আইনি লড়াইয়ে টিকে যাওয়ার পর এখন এম এ কাইয়ুমের সামনে মূল লড়াই জনগণের ব্যালটে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই আসনের ভোটাররা নির্ধারণ করবেন তাঁদের আগামীর প্রতিনিধি। ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলাম ও এম এ কাইয়ুমের মধ্যকার এই আইনি দ্বন্দ্ব নির্বাচনের উত্তাপকে রাজপথ থেকে আদালতের বারান্দা পর্যন্ত ছড়িয়ে দিয়েছে।

উচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলো। তবে আপিল বিভাগে যদি পুনরায় আবেদন করা হয়, তবে এই লড়াইয়ের চূড়ান্ত পরিণতি কী হবে, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এএন

Link copied!