স্পোর্টস ডেস্ক
জুলাই ২, ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে পৌঁছেই কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মুখোমুখি হন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামির হয়ে খেললেও বিমানবন্দরে তার জন্য কোনো বিশেষ সুবিধা রাখা হয়নি। তবে পুরো নিরাপত্তা প্রক্রিয়া জুড়েই স্বাভাবিক ও হাস্যোজ্জ্বল ছিলেন এই বিশ্বকাপজয়ী তারকা।
চমক জাগানো কেপ ভার্দের বিপক্ষে রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচ খেলতে ইতোমধ্যে মায়ামিতে পৌঁছেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বিমান থেকে নামার পরই দলের সব খেলোয়াড়কে কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষার আওতায় আনা হয়। মূল টার্মিনালে প্রবেশের আগেই রানওয়েতে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে প্রত্যেকের তল্লাশি সম্পন্ন করা হয়।
ইন্টার মায়ামির হয়ে নিয়মিত খেলার কারণে মেসির জন্য আলাদা কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই ফুটবলারও সতীর্থদের মতো একই নিয়ম মেনে নিরাপত্তা পরীক্ষা দেন। এতে বোঝা যায়, বিশ্বকাপ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ব্যতিক্রম রাখা হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মেসি নিজের ব্যাগ ও ব্যক্তিগত সামগ্রী নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর ধৈর্যের সঙ্গে পাশে দাঁড়িয়ে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার অপেক্ষা করেন। এ সময় তার মুখে ছিল স্বাভাবিক হাসি, যা ভক্তদেরও দৃষ্টি কেড়েছে।
তল্লাশি শেষ হওয়ার পর এক নিরাপত্তাকর্মী মেসির সব জিনিসপত্র গুছিয়ে আবার তার স্যুটকেসে তুলে দেন। পরে সেটি তার হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। একই সময়ে আর্জেন্টিনা দলের অন্য খেলোয়াড়রাও সারিবদ্ধভাবে একই ধরনের নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।
২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় আয়োজক শহরগুলোতে পৌঁছানোর পর বিমান থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই সব খেলোয়াড় ও যাত্রীকে নিরাপত্তা তল্লাশির আওতায় আনা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসা প্রতিটি দলকেই একই ধরনের নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আর্জেন্টিনা এবার প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ খেলতে আসায় দলটির ক্ষেত্রেও সেই নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। রানওয়েতেই নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানোর এ ব্যবস্থা বিশ্বকাপজুড়ে আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।
এএন