ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

চার্জশিটে উঠে এসেছে শিশু রামিসা হত্যার ভয়াবহতা

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৫, ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

চার্জশিটে উঠে এসেছে শিশু রামিসা হত্যার ভয়াবহতা

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মাত্র পাঁচ দিনের দ্রুততম তদন্ত শেষে ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকিন এই অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়েছেন এবং আগামী ১ জুন অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

গতকাল রোববার পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই চাঞ্চল্যকর মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। শুনানির পর মামলাটি বিচারের জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে আজিজুর রহমান দুলু এবং আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে মুসা কলিমুল্লাহ দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা পেশায় একজন অটোরিকশা মেকানিক। গত ২০ মে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সে ঘটনার নৃশংস বিবরণ দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, নিয়মিত মাদক সেবনের পর ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাশের বাসার শিশু রামিসাকে ফুসলিয়ে ডেকে সে নিজের ঘরে নিয়ে যায়। বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণের সময় শিশুটি চিৎকার করলে সে তার মুখ চেপে ধরে কাপড় গুঁজে দেয়। শিশুটি জ্ঞান হারালে তাকে মৃত ভেবে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মরদেহ বিকৃত করার চেষ্টা করে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মাথা বিচ্ছিন্ন করার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শকে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের সব ক্ষত ছিল শিশুটি বেঁচে থাকাকালীন সময়ের।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উঠে আসে, ঘাতক সোহেলকে পালাতে সরাসরি সহায়তা করেছে তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন। শিশুটির পরিবার যখন নিখোঁজ রামিসাকে খুঁজছিল, তখন সোহেলের স্ত্রী ঘরের দরজা ভেতর থেকে চেপে ধরে রেখে স্বামীকে পালিয়ে যাওয়ার সময় করে দেয়। এই সুযোগে সোহেল জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় এবং সে পালিয়ে যাওয়ার পরই তার স্ত্রী দরজা খুলে দেয়। আলামত নষ্ট করা ও আসামিকে পালাতে সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে স্বপ্না খাতুনকেও এই মামলার আসামি করা হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!