ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বিলাসবহুল বাড়িতে দুদকের তল্লাশি

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ২০, ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম

জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বিলাসবহুল বাড়িতে দুদকের তল্লাশি

দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কারাবন্দী সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ি আবাসন এলাকার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

সোমবার সকাল থেকে এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। দুদকের পক্ষ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক খুদে বার্তায় (এসএমএস) বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম এই অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জলসিঁড়ির ওই বাড়িটিতে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণী বা ইনভেন্টরি তৈরির কাজ করছেন কর্মকর্তারা।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরদিন, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর ১৬ আগস্ট রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রথমে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও পরবর্তীতে তাঁর বিপুল অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় দুদক। গত ৭ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তাঁকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

দুদকের মামলার এজাহার অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের নামে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন। এর বাইরে নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা রাখার পাশাপাশি তাঁর ৮টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধ উপায়ে অর্জনের পর তিনি তাঁর স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর এবং রূপান্তর (মানি লন্ডারিং) করেছেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে জিয়াউল আহসান ছিলেন অন্যতম আলোচিত ও প্রভাবশালী কর্মকর্তা। তিনি সর্বশেষ ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। বর্তমানে তিনি আদালতের নির্দেশে কারাগারে রয়েছেন।

জেএইচআর

Link copied!