ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মাদারগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধু নির্যাতন ,গ্রেফতার শশুর

মাদারগঞ্জ ( জামালপুর) প্রতিনিধি

মাদারগঞ্জ ( জামালপুর) প্রতিনিধি

জুন ২৮, ২০২২, ০৬:৪৬ পিএম

মাদারগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধু নির্যাতন ,গ্রেফতার শশুর

জামালপুরের মাদারগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধু নির্যাতনের মামলার প্রধান আসামী অভিযুক্ত শশুর আইনাল আকন্দ ( ৫২) কে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ। মামলা রেকর্ডের পর কারাগারে। ভোক্তভোগী গৃহবধু  চিকিৎসার জন্য ভর্তি মাদারগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ।

 সোমবার (২৭ জুন) মধ্যরাতে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের নিজ বাড়ী গুনারীতলা ইউনিয়নের সিংদহ থেকে তাকে গ্রেফতার করে ।
 মঙ্গলবার সকালে জামালপুর আদালতের  মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এর আগে ২৭ জুন  দুপুরে ভোক্তভোগী মুন্নি বেগম এর মা সুরাইয়া বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্ত শশুরকে প্রধান আসামী করে ৪ জনের বিরুদ্ধে মাদারগঞ্জে মডেল থানায়   নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। 

এ মামলার অন্য আসামীরা হলেন,ভোক্তভোগী গৃহবধুর স্বামী আলামিন আকন্দ ( ৩০),শাশুড়ী চায়না বেগম ( ৫৫),  ননদ রোমানা খাতুন ( ২৪)।  মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়,৫ মাস আগে গুনারীতলা ইউনিয়নের পশ্চিম মোসলেমাবাদ আইগেনিপাড়ার আশরাফ আলীর আকন্দের মেয়ে মুন্নি বেগম এর সাথে একই ইউনিয়নের সিংদহ গ্রামের আইনাল আকন্দের ছেলে আলামিন এর সাথে পারিবারিক বিয়ে হয়।

 বিয়ের কিছুদিন পর থেকে  ভোক্তভোগী গৃহবধু মুন্নি বেগমকে ২ লক্ষ টাকা যৌতুক আনতে চাপ দিতে থাকে। কিন্তু পরিবার  আর্থিক অসচ্ছল হওয়ায় টাকা আনতে না চাইলে শুরু হয় তার শশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতন। টাকা দিতে না পারায় এক পর্যায়ে ২ নম্বর আসামী ওই গৃহবধুর স্বামী আলামিন তাকে না জানিয়ে আরেকটি বিয়ে করে। সবশেষ ঘটনার দিন ২৫ জুন সকালে ২ লক্ষ টাকার  যৌতুক চাইলে দিতে অস্বীকার করায় অভিযুক্ত সকলে তাকে বাঁশ ও লাঠি এবং গাছের ডাল দিয়ে আঘাত করে। প্রধান আসামী শশুর পেটে লাথি দিলে মাটিতে পড়ে যায় ভোক্তভোগী। পরে তার আত্ম চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে  মুন্নি বেগম মোবাইলের মাধ্যমে পরিবারকে জানালে তারা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে  মাদারগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মডেল থানার উপ পরিদর্শক অনল কুমার দত্ত জানান,মামলাটি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত আসামী সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে। 

আরইউ

Link copied!