ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজে ব্যাপক অনিয়ম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

আগস্ট ১৩, ২০২২, ০৫:৪১ পিএম

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজে ব্যাপক অনিয়ম

ঠাকুরগাঁওয়ে পনি উন্নয়ন বোর্ডের নদী রক্ষা বাঁধের ব্লক তৈরিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলা সদরের ঢোলারহাট ইউনিয়নের উত্তর বোয়ালিয়া এলাকায় সুক নদী ও টাংগন নদীর ভাঙ্গন রক্ষা বাঁধ নির্মাণে নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে ব্লক তৈরি করা সময় স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটিযুক্ত বালু, নুরি পাথর, ছোট পাথরের জায়গায় বড় পাথর, গোটা পাথর, মরা পাথর ও পাথরের সাথে ধুলোবালিযুক্ত অবস্থায় ঢালাই ও ইটের খোয়া মিশ্রণে শ্রমিকরা একের পর এক তৈরি করছেন বল্ক। এমন অবস্থায় কাজ ভাল না হওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেন।

ব্লক নির্মাণে এর আগেও অনিয়ম ও কাজের মান খারাপ হওয়ায় বেশ কয়েকবার সংশ্লিষ্ট কাজের শামিমুর রহমান জামাল হোসেন জেভি নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের নিষেধ করে স্থানীয়রা। তারপরেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন নিয়মের তোয়াক্কা না করেই নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়েই কয়েক হাজার ব্লক তৈরি করেন। এতেই ক্ষুব্ধ হন এলাকাবাসী। তবুও গাঁয়ের জোরে আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের যোগসাজসে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে কাজ বন্ধ রেখে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেন স্থানীয়রা। অন্যথায় নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে তৈরি ব্লক করে বাঁধের কাজ সম্পূর্ণ করা হলে সরকারের কোটি কোটি টাকা ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা।

ঢোলারহাট ইউপি সদস্য শাজাহান আলী জানান, এলাকাবাসির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে এসে দেখা গেছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যে কাজটি চলমান রেখেছেন। তার মান অত্যন্ত খারাপ। তারা মনে করেছেন গ্রাম্য এলাকায় নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করে লাখ লাখ টাকা লুট করবে। স্থানীয়রা সচেতন বলেই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া একই ঠিকাদার আরো দুটি স্থানে ব্লক তৈরির কাজ পেয়েছেন। ব্যবস্থা না নিলে সেখান থেকেও সরকারের অর্থ লুট করবে।

সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার জামাল হোসেন অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, শ্রমিকরা এসব করেছে। তারা ভালভাবে পাথরে পানি ব্যবহার করেনি। তবে বিষয়টি নজরে আসার পর কাজ ভালভাবে করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ঠিকাদারের পক্ষে সাফাই গেয়ে জানান, স্থানীয়রা কাজ বন্ধ করে দেয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রতিনিধি পাঠানো হয়। অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

৮ কোটি ৩১ লাখ ৯১ হাজার টাকায় চলতি অর্থ বছরে একটি প্যাকেজের তিনটি স্থানের কাজ পায় ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যা জুন মাস থেকে দুটি স্থানে কাজ চলমান রেখেছেন।

আমারসংবাদ/এসএম

Link copied!