ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
নভেম্বর ৩, ২০২৪, ০২:৪০ পিএম
ত্রিশাল উপজেলার কানিহারী ইউনিয়নের একটি সরকারি খাস পুকুরে আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে ডিভাইস ব্যবহার করে পাঙাস মাছ চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,পুকুরে কয়েকটি মেশিনের মাধ্যমে নিয়মিত মাছকে দেওয়া হচ্ছে খাদ্য। পাশাপাশি পুকুরে অক্সিজেনের পরিমাণ ঠিক আছে কিনা, অ্যামোনিয়া পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে কিনা, কখন কি পরিমাণ মাছকে খাদ্য দিতে হবে তা সকল কিছু যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।ইচ্ছা করলে চাষিরা মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে যে কোনো স্থান থেকে তা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। পুকুরে বিষ প্রয়োগ করলেও তাৎক্ষণিক অ্যাপস এর মাধ্যমে ধরা পড়ে যায়। যা পরবর্তীতে মাছকে নিরাপদে রাখা সম্ভব হবে। আধুনিক ডিভাইস এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে পুকুরে কাজের জন্য অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন পড়ছে না।
জানা গেছে, ৫৮ শতাংশের এই পুকুরটিতে ৭২ হাজার পাঙাস চাষ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছে, সাধারণত পাঙাস মাছের চাষের পুকুরের গভীরতা হয় ৫-৬ ফুট। কিন্তু এই পদ্ধতিতে পুকুরের গভীরতা ১৮ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত করা যায়। যার ফলে, অল্প জমিতে দুই থেকে তিন গুণ বেশি মাছ চাষ করা সম্ভব হয়েছে।
পরীক্ষামূলক ভাবে মাছ চাষে সফল হওয়ার পর অন্যান্য মৎস্য চাষীদের প্রশিক্ষণ দিতে কাজ করছে ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন।
ইতোমধ্যেই অনেক মৎস্য খামারিরা আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল আহমেদ জানান, আধুনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অল্প জায়গায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি মাছ চাষ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি সকল চাষিদেরকে আধুনিক পদ্ধতিতে মৎস্য চাষের আহ্বান জানান।
বিআরইউ