ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

নওগাঁয় জাহিদ হত্যা, গ্রেফতার-৩

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জানুয়ারি ২৮, ২০২৫, ০৩:৩৫ পিএম

নওগাঁয় জাহিদ হত্যা, গ্রেফতার-৩

নওগাঁয় জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাতভর জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সফিউল সারোয়ার।

হত্যাকাণ্ডের শিকার জাহিদুল ইসলাম (৪১) পত্নীতলা উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নের কোতালী গ্রামের মৃত অছিমুদ্দিনের ছেলে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, একই গ্রামের গুলজার হোসেনের ছেলে মামুনুর রশিদ(৩৬), ইসমাইল হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন(২৫) ও আবুল কালাম আজাদের ছেলে মোহাম্মদ রাজু হাসান(৩২)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, গত ১৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে জাহিদুল ইসলামকে জবাই করে হত্যার পর মৃতদেহটি পত্নীতলা থেকে একটি অটোচার্জার ভ্যানে করে মহাদেবপুর উপজেলার রাইগা ইউনিয়নের আরমান সরদারের জমির পাশে কালভার্টের নিচে ফেলে রেখে যায় আসামিরা। এসময় মৃতদেহটি একটি নীল পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ছিল। পরে তার স্ত্রী থানায় মামলা করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে গতকাল সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের মোড় ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে আসামিরা মৃতদেহটি পত্নীতলা থেকে একটি অটোচার্জার ভ্যানে করে মহাদেবপুরে এনে গুমের চেষ্টা করেছিলেন। এছাড়াও আলামত ধ্বংসের উদ্দেশ্যে জাহিদুল ইসলামের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি একটি মাঠের মধ্যে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর আসামিরাই ভিকটিমের লাশ উদ্ধারসহ দাফন কাফন কাজে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছে যাতে তাদেরকে কেউ সন্দেহ না করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। পূর্ব শত্রুতা এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, ফারজানা হোসেন, মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসমত আলীসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি, গত ২৩ জানুয়ারি একটি জটিল সিজারের মাধ্যমে প্রসূতি মা এবং নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে এ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দায়ীদের বিচারের দাবিতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ জনগণ।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, হাসপাতালের ব্যানারে থাকা একটি নম্বরে সাড়া দেন সৌরভ নামের এক ব্যক্তি। তিনি স্বীকার করেন, লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করা হলেও তা সম্পন্ন হয়নি। বন্ধের নির্দেশ অমান্যের ব্যাপারে তিনি জানান, একটি চিঠির কথা শুনেছি, তবে তা ভুল ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিয়া আফরিন জানান, প্রাথমিকভাবে অভিযান চালিয়ে এটি বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু আবার চালানোর প্রমাণ পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসাহাক আলী জানান, ভুক্তভোগীর পরিবার কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে লাইসেন্স না থাকায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. কানিজ সাবিহা এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাদের কাছে কার্যক্রম চালানোর বৈধ কাগজপত্র নেই। অচিরেই এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, অভিযোগ উঠেছে যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কিছু মহলকে ম্যানেজ করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাসপাতালের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে আছে স্থানীয় জনসাধারণ।

বিআরইউ

Link copied!