ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

কুষ্টিয়ায় আরএমও হোসেন ইমামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

নজরুল ইসলাম মুকুল, কুষ্টিয়া

নজরুল ইসলাম মুকুল, কুষ্টিয়া

অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ০৮:৩৮ পিএম

কুষ্টিয়ায় আরএমও হোসেন ইমামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা।

জানা গেছে, কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের দুর্নীতিবাজ আরএমও হোসেন ইমাম আর নেই”— এমন বিভ্রান্তিকর স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হওয়ার কিছুক্ষণ পরই ডা. হোসেন ইমামের ওপর সিভিল সার্জন অফিস থেকে বের হওয়ার সময় চড়াও হয় কিছু যুবক। এ সময় তাকে ধাক্কা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

সম্প্রতি কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে চাকরি প্রত্যাশীরা বিক্ষোভ করেন। গত রোববার (২৬ অক্টোবর) সকাল থেকে কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে সাত ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন তারা। পরে বিকেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ঘটনা তদন্তে সোমবার সকালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত টিম কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসে যায়।

এ বিষয়ে ডা. হোসেন ইমাম বলেন, “নিয়োগ পরীক্ষায় ‘আরএমও কোটার’ নামে কিছু ব্যক্তি আমার কাছে প্রভাব খাটাতে চেয়েছিলেন। আমি স্পষ্টভাবে জানাই— এমন কোনো কোটা নেই। এরপর থেকেই তারা আমার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা শুরু করে। আজ ফেসবুকে আমার মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয় এবং এরপরই আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়।”

জানা যায়, কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয় সম্প্রতি সাতটি পদে মোট ১১৫ জন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়। আবেদন গ্রহণ করা হয় ৪ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত। গত শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষার পর থেকেই অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করে চাকরিপ্রত্যাশীরা।

দুদক কুষ্টিয়া জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিসে গিয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।

ইএইচ

Link copied!