ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে সরকারি চিকিৎসায় আস্থা ফেরাতে ডিসির প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

অক্টোবর ৩১, ২০২৫, ০৮:২৫ পিএম

নারায়ণগঞ্জে সরকারি চিকিৎসায় আস্থা ফেরাতে ডিসির প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ

নারায়ণগঞ্জের ৩০০ শয্যার নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের চিকিৎসা না দিয়ে বহু রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করে দেন। 

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, শুধুমাত্র কিডনি, ব্রেইন স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে রেফার করা হয়।

এই দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের পর হাসপাতালের প্রকৃত চিত্র জানা ও জনগণের আস্থা ফেরানোর জন্য অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালের জন্য একটি আধুনিক হাসপাতাল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার চালুর পাশাপাশি তিনটি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করেন।

হাসপাতালের তিনটি পৃথক স্থানে বসানো এই ডিজিটাল বোর্ডগুলোতে প্রতিদিনের হালনাগাদ তথ্য দেখা যাবে কতজন রোগী ভর্তি আছেন, কতজন রিলিজ পেয়েছেন এবং কোন কারণে কতজন রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। 

জেলা প্রশাসনের এই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রোগীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের আস্থাহীনতা ও ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “বারবার অভিযোগ এসেছে রোগীরা চিকিৎসা নিতে এলে তাদের অন্য হাসপাতালে রেফার করে দেওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল পরিদর্শন করলে দেখা যায় প্রতিটি বেডে রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত মাসে প্রায় ৬৫ হাজার রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা সত্যিকার চিত্র জনগণের সামনে আনতে চাই।”

তিনি আরও জানান, সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিদিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য প্রদর্শিত হবে কতজন রোগী এসেছেন, ভর্তি হয়েছেন, রেফার হয়েছেন এবং কেন রেফার হয়েছেন। এছাড়া কতজন অপারেশনে গেছেন এবং কতটি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে, সবকিছু বোর্ডে দেখা যাবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে হাসপাতাল নিয়ে যে ভুল ধারণা ও সন্দেহ ছিল তা দূর হবে। সরকার সাধারণ মানুষের জন্য হাসপাতাল তৈরি করেছে মানুষ সেখানে এসে সেবা নেবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য। ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে আর কোনো বিভ্রান্তি বা সন্দেহের অবকাশ থাকবে না।”

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল বাসার জানান, “প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। এই মাসে প্রায় ২০০ রোগীর বড় অপারেশন হয়েছে। কিছু রোগীকে রেফার করতেই হয়, কারণ হার্ট, ব্রেইন ও কিডনি বিভাগের ব্যবস্থা এখনো চালু হয়নি। হাসপাতালটির বয়স প্রায় ৪০ বছর। ৫০০ শয্যার অনুমোদন কার্যকর হলে এই বিভাগগুলো চালু করা হবে, তখন আর রোগীদের অন্য হাসপাতালে রেফার করতে হবে না।”

হাসপাতালে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত করা হবে। ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড চালু হওয়ার মাধ্যমে হাসপাতাল ও রোগীদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং সেবার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. এ. এফ. এম. মুশিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসাইন, হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন ডাক্তার ও অন্যান্য কর্মকর্তা।

Link copied!