ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বরিশালে ব্যস্ততা বেড়েছে লেপ তোশক কারিগরদের

বরিশাল ব্যুরো

বরিশাল ব্যুরো

নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০১:৪৪ পিএম

বরিশালে ব্যস্ততা বেড়েছে লেপ তোশক কারিগরদের

হেমন্তের মাঝামাঝি সময়ে শীতের আমেজ শুরু হতেই দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি ব্যস্ততা বেড়েছে বরিশাল নগরীসহ জেলার লেপ-তোশক তৈরির দোকানে ভিড় বাড়ছে ক্রেতাদের। অনেকেই নতুন লেপ, তোশক, গদি ও বালিশ বানাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার পুরোনো লেপ-তোশক নতুন করে ভেঙ্গে বানিয়ে নিচ্ছে।

এক কথায় বলা যাচ্ছে প্রত্যেক পরিবারের সদস্যরা শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে যে যার মতো আগে ভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাইতো লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বরিশালের স্থানীয় ধনুকর বা কারিগররা। 

শনিবার বিকেলে নগরীর পদ্মবর্তী এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিমুল তুলার লেপ-তোশক ও বালিশের সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে এ অঞ্চলে। এ কারণে শিমুল তুলার মূল্য অনেকটা বেশি।

বরিশাল নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দারা শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ভিড় জমাচ্ছে লেপ-তোশক বানানোর দোকানগুলোতে। আর শীতের আগমনে লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।

নগরীর পদ্মাবতী রোড, বাজার রোড, সাগরদী, চৌমাথা, নতুন বাজার, কালিজিরা বাজার, কাশিপুর বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, লেপ-তোশকের দোকানের সবকটিতেই ছিল কারিগরদের লেপ বানানোর ব্যস্ততা। দোকানিরাও অর্ডার গ্রহণ এবং ক্রেতাদের বিভিন্ন রঙ-মানের কাপড় ও তুলা দেখাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এ দৃশ্য এই মৌসুমে চলছে গোটা জেলার হাট-বাজার গুলোতেও। লেপ-তোশক তৈরি ধনুকর আমল দাস জানান, শীত একটু বাড়লেই ক্রেতাদের ভিড় বাড়বে। ক্রেতাদের এ আনাগোনা চলবে পুরো শীত জুড়ে।

তবে শীত বাড়ার সাথে সাথে চাহিদা বাড়তে পারে লেপ-তোষকের। একাধিক ধনুকররা জানান, প্রতিটি লেপ বা তোশক তৈরিতে একজন কারিগরের সময় লাগে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা। এভাবে একজন কারিগর দিনে ৬ থেকে ৮টি লেপ বা তোশক তৈরির কাজ করে থাকেন।

এবিষয়ে পদ্মাবতী রোডের লেপ-তোশক ব্যবসায়ী কবির জানান, শীত মৌসুমে কারিগররা লেপ-তোশক তৈরির কাজ পান। বছরের বাকি সময় তারা অলস সময় পার করে থাকে। কেউ তখন অন্য পেশায় নিয়োজিত থাকেন।

তবে শীত বাড়ার সাথে সাথে চাহিদা বাড়তে পারে। তুলার মান ও পরিমানের ওপর নির্ভর করে লেপ-তোশক তৈরির খরচ। এ বছর জিনিস পত্রের দাম বাড়ায় খরচ আগের চেয়ে ডাবল বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

তবে এবছর একটি লেপ-তোশক বিক্রি করে তাদের ৫’শ টাকার বেশি লাভ হচ্ছে না। এব্যপারে নগরীর চক-বাজার এলাকার ভূইয়া বস্ত্রালয়ের এক ব্যবসায়ী বলেন, শীতের তীব্রতা বাড়লে লেপ-তোশকের চাহিদা বাড়বে। বর্তমানে বিকিকিনি ভালো এবং বাজারে লোক সমাগম রয়েছে।

অনেকেই আগে ভাগে পুরনো লেপ-তোশক, বালিশ মেরামত ও নতুন ভাবে তৈরির অর্ডার দিচ্ছে। সারা বছর আমাদের তেমন ব্যবসা হয় না। শীতের সময় একটু ব্যবসা ভালো হয়। আবার শীতের শুরুতেই লেপ বেশ ভালোই বিক্রি হয়।  

তিনি জানান, তুলা ও কাপড়ের মানের ওপর ভিত্তি করে একটি লেপ তৈরি করতে খরচ পড়ে প্রায় ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে তৈরি হয়।

জেএইচআর

Link copied!