ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

গাংনীতে পরীক্ষা বর্জন: প্রধান শিক্ষকের উস্কানিতে সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধনের অভিযোগ

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুর প্রতিনিধি

ডিসেম্বর ৫, ২০২৫, ০৫:০৩ পিএম

গাংনীতে পরীক্ষা বর্জন: প্রধান শিক্ষকের উস্কানিতে সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধনের অভিযোগ

তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়া এবং সম্প্রতি তিন শিক্ষক নেতাকে শোকজ নোটিশ জারির প্রতিবাদে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা দ্বিতীয় দিনের মতো ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করেছেন। 

বৃহস্পতিবার বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ রেখে উপজেলার ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকে।

এ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধনে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাংনী উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পলাশীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান বকুলের বিরুদ্ধে। 

অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুরে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ রেখে প্রায় শত শত সহকারী শিক্ষক উপজেলা চত্বরে মানববন্ধনে অংশ নেন, যেখানে বকুলের উপস্থিতি ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পলাশীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান বকুল বলেন, "উপজেলা চত্বরে কোনো ধরনের মানববন্ধন হয়নি। বরং শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে আমার কমিটির পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম।" সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে তিনি হঠাৎ ফোন কেটে দেন।

অন্যদিকে মেহেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুকুমার মিত্র অভিযোগের বিষয়ে বলেন, "বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য যাচাই করে আমরা আখতারুজ্জামান বকুলের ইন্ধনের সত্যতা পেয়েছি। বিষয়টি অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, প্রয়োজনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" 

এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির বলেন, "আমাদের কাছে জমা দেওয়া পত্রিকার কাটিং ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

ইএইচ

Link copied!