ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ফেনীতে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, ফেনী

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, ফেনী

জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

ফেনীতে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

ফেনীতে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ঘন কুয়াশার আর হিমেল হাওয়ায় জুবুথুবু হয়ে পড়েছে জনপদ।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান জানান, আগামী কয়েক দিন শীতের মাত্রা আরও বাড়তে পারে। জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শৈত্যপ্রবাহের আওতা বাড়তে পারে বলেও তিনি জানান।

এর আগে রোববার ১২.৭ ডিগ্রি এবং শুক্রবার ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।

আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে শীতের ধরন বদলাচ্ছে। কখনো স্বল্প সময়ের তীব্র ঠান্ডা, আবার কখনো দীর্ঘ সময় ধরে শুষ্ক ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সরেজমিনে ফেনীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। দুপুর পর্যন্ত কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল শহরের পথঘাট। শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে বেশি। ঘন কুয়াশা আর হাড়কাঁপানো হিমেল হাওয়ায় ব্যহত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন।

তীব্র ঠান্ডার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। বিশেষ করে রিকশাচালক ও দিনমজুরদের জীবনে শীতের প্রভাব পড়ছে বেশি।

শহর ঘুরে দেখা গেছে, শীতের তীব্রতায় মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা শহরের রাজাঝির দিঘির পাড় ও দোকান থেকে নতুন ও পুরাতন কম্বল, সোয়েটার, জ্যাকেটসহ বিভিন্ন শীতবস্ত্র ক্রয় করতে ভিড় করছেন। তীব্র ঠান্ডায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছেন বয়স্ক ও শিশুরা। প্রচন্ড শীতে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে।

শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রোকন উদ্দিন জানান, হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডের শয্যার তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক রোগী ভর্তি রয়েছেন। অন্য ওয়ার্ডগুলোতেও শীতজনিত অসুস্থতা নিয়ে গড়ে ২৫০ রোগী অবস্থান করছেন। হাসপাতালের বহির্বিভাগেও রোগীর চাপ বেড়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম জানান, ঠান্ডায় শিশুরা যেন বাইরে না আসে সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। একই সঙ্গে ঠান্ডা মনে করে শিশুদের অতিরিক্ত গরম কাপড় পরিয়ে রাখার কারণেও তাদের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে বলেও তিনি জানান।

ইএইচ

Link copied!