ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ৪০০০ সদস্য, অভিযান ঠেকাতে কালভার্ট ভেঙে দিল সন্ত্রাসীরা

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ৯, ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ৪০০০ সদস্য, অভিযান ঠেকাতে কালভার্ট ভেঙে দিল সন্ত্রাসীরা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। সোমবার ভোর ছয়টা থেকে সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে প্রায় চার হাজার সদস্য এ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। অপরাধীদের আস্তানা উচ্ছেদে পরিচালিত বিশাল অভিযানে বাধা সৃষ্টি করতে খালের ওপরের কালভার্ট ভেঙে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকাল থেকে যৌথ বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য এলাকায় অভিযান চালাচ্ছেন। অভিযানের বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলেও তিনি জানান।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, ভোর থেকেই জঙ্গল সলিমপুরের চারপাশ ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কেউ যাতে এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য প্রবেশ ও বের হওয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। যৌথ বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছেন।

গত জানুয়ারিতে এই এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব-৭–এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। ওই ঘটনার পর জঙ্গল সলিমপুর নতুন করে আলোচনায় আসে এবং সেখানে সমন্বিত অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে থাকায় তখন অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছিল।

মোতালেব হোসেন হত্যার ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা করে র‍্যাব। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় মোহাম্মদ ইয়াসিনকে। এ ছাড়া নুরুল হক ভান্ডারীসহ মোট ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ২০০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামি ধরতে গেলে ইয়াসিনের নির্দেশে রামদা, কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে র‍্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় আটক এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং চার র‍্যাব সদস্যকে অপহরণ করা হয়, যাদের পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ উদ্ধার করে।

জঙ্গল সলিমপুর চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার কাছাকাছি একটি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল। প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর বিস্তৃত এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কেটে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে পাহাড় কেটে প্লট-বাণিজ্য চলছে এবং এসব কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী চক্রের প্রভাব বিস্তার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এলাকায় দুটি প্রভাবশালী সন্ত্রাসী পক্ষ সক্রিয়। একটির নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন এবং অন্যটির নেতৃত্বে রোকন উদ্দিন। ইয়াসিন আগে আওয়ামী লীগ–ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত থাকলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নিজেকে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর অনুসারী দাবি করেন। তবে র‍্যাব কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনার পর আসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, জঙ্গল সলিমপুরে তাঁর কোনো অনুসারী নেই এবং ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কেউ জড়িত নয়।

এএন

Link copied!