ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

দিনাজপুরে লিচু বাগানে মধু সংগ্রহের উৎসব, লক্ষ্যমাত্রা ১০০ কোটি টাকা

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর প্রতিনিধি

এপ্রিল ৭, ২০২৬, ০২:২৬ পিএম

দিনাজপুরে লিচু বাগানে মধু সংগ্রহের উৎসব, লক্ষ্যমাত্রা ১০০ কোটি টাকা

উত্তরাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার দিনাজপুরে লিচুর মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত এখন চারপাশ। এই ঋতুকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ, সাতক্ষীরা, রাজশাহী, পাবনা ও নাটোরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মৌ-চাষিরা লিচু বাগানগুলোতে প্রায় ২ হাজার মৌ-খামার স্থাপন করেছেন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে এবার এখান থেকে শতাধিক কোটি টাকার মধু আহরণ করা সম্ভব হবে।

দিনাজপুর সদরের মাশিমপুর, বিরলের মাধবাটি, খানসামার সনকা এবং বীরগঞ্জের গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার বাগানগুলোতে এখন মৌ-বক্সের সারি। চাষিরা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহ করছেন। খামারিদের মতে, প্রতি ১০টি গাছের জন্য একটি মৌ-বাক্স বসানো আদর্শ নিয়ম। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি বাক্স থেকে মাত্র ২২ দিনেই ২২ কেজি পর্যন্ত মধু পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমানে পাইকারি বাজারে লিচু ফুলের মধু প্রতি মণ ১২,৫০০ থেকে ১৪,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৌ-চাষিরা জানান, বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও এবার জেলা থেকে ৫-৬ হাজার মেট্রিক টন মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। স্থানীয় শিক্ষিত যুবকরাও এখন চাকরির পেছনে না ছুটে মৌ-খামারের দিকে ঝুঁকছেন। মাশিমপুর এলাকার সফল খামারি মোসাদ্দেক হোসেন এর একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

দিনাজপুরের লিচু ফুলের মধুর অনন্য স্বাদ, ঘ্রাণ ও রঙের কারণে এটি ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবি রাখে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিকুল ইসলাম জানান, এই মধুর বিশেষ পুষ্টিগুণ ও ঔষধি গুণ একে অন্যান্য মধুর চেয়ে আলাদা করেছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও জিআই স্বীকৃতি পেলে এই মধু আন্তর্জাতিক বাজারে ‘ওয়ার্ল্ড ব্র্যান্ড প্রডাক্ট’ হিসেবে দেশের রপ্তানি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারবে।

তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে মুকুল ঝরে পড়লে মধু উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। খামারিরা মনে করেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আধুনিক কারিগরি সহযোগিতা এবং সহজ শর্তে ঋণের সুবিধা পেলে এই মধু শিল্প দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

জেএইচআর

Link copied!