ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

জুয়া, চুরি ও পরকীয়া থেকে শিশু হত্যা: ঘাতক সোহেল রানার অন্ধকার জীবনের গল্প

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২১, ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম

জুয়া, চুরি ও পরকীয়া থেকে শিশু হত্যা: ঘাতক সোহেল রানার অন্ধকার জীবনের গল্প

বছর তিনেক আগে নিজ গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় পাড়ি জমান শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। তাঁর গ্রামের বাড়ি নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার মহেশচন্দ্রপুরে। ঢাকায় যাওয়ার পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তেমন কোনো যোগাযোগ রাখতেন না তিনি।

সম্প্রতি মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার পর দীর্ঘ দিন পর নতুন করে আলোচনায় আসেন এই সোহেল রানা। এর পরেই বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে তাঁর অতীতের নানা অপরাধ ও অন্ধকার জীবনের গল্প।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাবা জাকির আলীর তিন ছেলে-মেয়ের মধ্যে সবার বড় সোহেল রানা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিনি নিজ গ্রামে প্রথমে রিকশা মেকানিকের কাজ শুরু করেছিলেন। তবে মেকানিকের কাজের আড়ালে তাঁর মূল নেশা ছিল জুয়া ও চুরি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে চুরির একটি মামলাও রয়েছে। নিজ এলাকায় প্রথমে একটি বিয়ে করেছিলেন তিনি এবং সেই সংসারে তাঁর একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

কিন্তু ধীরে ধীরে জুয়া ও মাদকের মরণনেশায় পুরোপুরি জড়িয়ে পড়েন সোহেল রানা। জুয়া খেলার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে নিজের ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এলাকায় জুয়া খেলে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়লে বাবা জাকির আলী তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এরপর সিংড়া বালুয়া বাসুয়া গ্রামে আরেক নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন তিনি। এর কিছুদিন পরেই তিনি পাড়ি জমান ঢাকায়। সেখানে গিয়ে নিজের আসল নাম আড়াল করতে বাবার নাম ব্যবহার করে বসবাস শুরু করেন।

আসামি সোহেল রানার ছোট বোন জলি বেগম জানান, তিন বছর আগে বাবা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ ছিল না। গণমাধ্যম ও মোবাইলের মাধ্যমে তাঁরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর জানতে পেরেছেন। এলাকায় থাকাকালীনও তিনি নানা সামাজিক অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

এ বিষয়ে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, সিংড়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো মামলা বা সাজার রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঢাকার পল্লবীতে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের খবরটি নাটোরে পৌঁছানোর পর পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘাতক সোহেল রানার দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁর নিজ এলাকাবাসী।

জেএইচআর

Link copied!