ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

পাকুন্দিয়ায় একরাতে ৫টি গরু চুরি, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

এম. এ. হান্নান, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ)

এম. এ. হান্নান, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ)

জুন ১৯, ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম

পাকুন্দিয়ায় একরাতে ৫টি গরু চুরি, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে। কখন গোয়াল থেকে গরু চুরি হয়- এই আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন এলাকার মানুষ। প্রতিরাতেই কোনো না কোনো এলাকায় হানা দিচ্ছে সংঘবদ্ধ চোরের দল। গত কয়েক মাসে এ উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।

সর্বশেষ শুক্রবার দিবাগত রাতেও উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের চিলাকাড়া গ্রামের সরকার বাড়ি থেকে গাভী ও বাছুরসহ ৫টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ টাকা। এই ঘটনায় শুক্রবার (২০ জুন) সকালে পাকুন্দিয়া থানায় গরুর মালিক লুৎফর মিয়া অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পিকআপ দিয়ে রাতের শেষ দিকে গরু চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোরেরা। যাওয়ার পথে কয়েকটি বাজার ও সড়কে চেকপোস্ট থাকলেও পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবে এসব ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

পুলিশের নজরদারির অভাব এবং রাত্রিকালীন টহল না থাকার কারণে চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না বলে অনেকের অভিযোগ। সংঘবদ্ধ চোরের দল নানা কৌশলে একের পর এক চুরি করে যাচ্ছে।

এলাকাবাসীরা জানান, প্রায় প্রতি রাতেই গোয়াল ঘর থেকে চোরের দল দরিদ্র কৃষকের সহায়-সম্বল নিয়ে যাচ্ছে। যাদের গরু আছে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ জমানো সঞ্চয়, ধার-দেনা কিংবা ঋণ নিয়ে গরু কিনে লালন-পালন করে থাকেন। কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো গরুর দুধ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। গরু চুরির ঘটনায় এসব পরিবার চরম ক্ষতির মুখে পড়ছে।

রাতের বেলায় যেসব সড়কে আলো থাকে না বা নির্জন, বিশেষ করে সেসব এলাকায় চুরির ঘটনা বেশি ঘটছে।

ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ব্যক্তি জানান, গরুর ঘর থেকে রশি কেটে বা খুলে গরু গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় চোরেরা। তবে এসব ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার না করায় চুরি বাড়ছে।

একাধিক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, প্রতি মাসে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে আলোচনা হলেও চোর ধরা না পড়ায় গরু চুরি বন্ধ হচ্ছে না। এতে সাধারণ কৃষক ও খামারিরা নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।

গরুচুরি বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. আরিফুর রহমান জানান, তদন্ত অব্যাহত আছে। গরু চুরি রোধে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।

এএন

Link copied!