ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যা: অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, আটক ১

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

জুন ২২, ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম

গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যা: অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, আটক ১

গাইবান্ধার সাঘাটায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে মূল অভিযুক্তসহ অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোনারপাড়া ফায়ার স্টেশন সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি গ্রামে অভিযুক্তদের বাড়িতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আগুন দেওয়া হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় পৌনে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

অভিযুক্ত মোকলেছুর রহমান মুকুল ও পলাশ আপন দুই ভাই। তাঁরা ওই গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে। মুকুল বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি। এছাড়া জড়িত থাকার অভিযোগে আটক আশরাফ খন্দকার (৩৬) একই গ্রামের আকবর খন্দকারের ছেলে।

নিহত সাইফুল্লাহ বারী বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের বর্তমান সভাপতি ছিলেন। তিনি শিমুলতাইর গোরস্থানপাড়া গ্রামের হবিবার রহমান মওলানার ছেলে এবং রংপুরের সাতগড়া মডেল কামিল মাদরাসার আল কুরআন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সালাউদ্দিন।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় জামায়াত-শিবির, নিহতের স্বজন ও এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে বিক্ষুব্ধরা অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে সাঘাটা ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয়। সাঘাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার তোফাজ্জাল হোসেন জানান, আগুনে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) পবিত্র কুমার জানান, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে গাইবান্ধা জেলা শহর এবং ঢাকাতে বিক্ষোভ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। এছাড়া আজ সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় গাইবান্ধা পৌর পার্ক থেকে পুনরায় বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন গাইবান্ধা-৫ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ। তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। এ সময় জামায়াত সমর্থিত অন্যান্য এমপিরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া গাইবান্ধা-২ আসনের এমপি আব্দুল করিম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এই ন্যক্কারজনক হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বোনারপাড়া বাজারের চারমাথা চত্বরে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক বাধে। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষরা লোহার শাবল দিয়ে সাইফুল্লাহ বারীর গলায় আঘাত করলে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। একই সময় সালাউদ্দিনকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই সাইফুল্লাহ বারী মারা যান এবং গুরুতর আহত সালাউদ্দিনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জেএইচআর

Link copied!