ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

মাদক কারবারিকে পালাতে সহায়তা, তথ্যদাতাই গেলেন কারাগারে

এমরান হোসেন রাজন, চাঁদপুর

এমরান হোসেন রাজন, চাঁদপুর

জুলাই ১৬, ২০২৬, ০২:১২ পিএম

মাদক কারবারিকে পালাতে সহায়তা, তথ্যদাতাই গেলেন কারাগারে

চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য প্রদানকারীই গ্রেপ্তার হয়েছেন। কুখ্যাত এক মাদক কারবারিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগে মো. শাওন কাজী (২৫) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। পরে তার ভাড়া বাসা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন।

বুধবার দিবাগত রাতে চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া রোডের ভূঁইয়া বাড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্লাহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত শাওন কাজী শরীয়তপুর জেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের রণখোলা শিবপুর গ্রামের মো. মকবুল হোসেন কাজীর ছেলে। গত এক বছর আগে থেকে তিনি ওই বাসায় ভাড়া থাকেন।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল চাঁদপুর শহরের এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু অভিযানের আগেই লক্ষ্যবস্তু পালিয়ে যাওয়ায় তথ্য ফাঁসের সন্দেহ তৈরি হয়। তদন্তে ডিএনসির নজর যায় তাদের নিয়মিত তথ্য প্রদানকারী শাওনের দিকে।

পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে ওই মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করে ডিএনসি। পরে শাওনকে তার বাসায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার স্ত্রীও অভিযানের তথ্য সংশ্লিষ্ট মাদক ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন বলে জানায় সংস্থাটি। এ সময় বাসা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এ ধরনের তথ্য প্রদানকারীর কারণে আমাদের মাদকবিরোধী অভিযান ব্যাহত হয় এবং দপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাওন মাদক ব্যবসায়ীদের সহায়তার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। প্রযুক্তিগত তদন্তে তার মোবাইল ফোন থেকে আরও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে এমন অভিযোগও উঠে এসেছে যে, তিনি বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করতেন।

এএন

Link copied!