আমার সংবাদ ডেস্ক
জুলাই ৩, ২০২৬, ১২:২৩ এএম
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সুবাতাসের ধারাবাহিকতায় মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশের গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৬৫৮ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন বা ৩৭ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলারে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, ২ জুলাই পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ যেখানে ৩৭ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার, সেখানে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ হিসাব পদ্ধতি ‘বিপিএম-৬’ (BPM6) অনুযায়ী এর প্রকৃত পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ১৩ দশমিক ১৯ মিলিয়ন বা ৩৩ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে গত ৩০ জুন পর্যন্ত মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৭ হাজার ৫৬১ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার। আর ওই একই সময়ে আইএমএফের বিপিএম-৬ হিসাব কাঠামো অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার ৯০০ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুদিনের ব্যবধানে রিজার্ভের সূচকে বেশ ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সদ্য বিদায়ী জুন মাসের পুরো ৩০ দিনে প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় দেশে পাঠিয়েছেন, যা রিজার্ভের এই উল্লম্ফনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। জুন মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে মোট ২৮১ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার আর্থিক পরিমাণ ৩৪ হাজার ৬৪১ কোটি টাকারও বেশি। প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবাহ দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিক বিশ্লেষকেরা।
জেএইচআর