Amar Sangbad
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩০

ঢাবিতে বাংলাদেশ ও ইরানের শিশু-কিশোর সাহিত্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩, ০৬:৫৫ পিএম


ঢাবিতে  বাংলাদেশ ও ইরানের শিশু-কিশোর সাহিত্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এবং ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ ও ইরানের শিশু-কিশোর সাহিত্য’ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন আজ শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর)  অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে শুরু হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভোশি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই সম্মেলনের আহবায়ক ও বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইরানি দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর সৈয়দ রেজা মিরমোহাম্মাদি এবং ঢাকাস্থ আল-মোস্তফা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়ালমুসলেমিন শাহাবুদ্দিন মাশায়েখী রাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন স্বাগত বক্তব্য দেন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইরানের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. বাহাদুর বাঘেরি। বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর ড. মাজিদ পুঁইয়ান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ এই সম্মেলনের সফলতা কামনা করে বলেন, শিশু ও কিশোরদের মানসিক বিকাশ এবং সুন্দর জীবন-যাপনে শিশু সাহিত্যের গুরুত্ব অপরিসীম। শিশু-কিশোরদের মাতৃভাষা শিখতে, নিজের দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও জাতির ভাষা এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে শিশু-কিশোর সাহিত্য চর্চা আরও বৃদ্ধি হওয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন। শিশু-কিশোরদের সংস্কৃতিমনা, সুশিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে তিনি পারিবারিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভোশি বাংলাদেশে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য প্রসারে অনন্য ভূমিকা রাখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফারসি ভাষা ও সাহিত্য  বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, শিশুদের সুচরিত্র গঠনে, চিন্তাশীল করে গড়ে তুলতে, অপরকে শ্রদ্ধা করতে এবং সংস্কৃতিমনা করে গড়ে তুলতে শিশু সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং দু’দেশের সাহিত্য অঙ্গন আরও বিকশিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, "চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ইরানের সংস্কৃতির সঙ্গে আমরা পরিচিত। ভাষার দিক থেকে মিল না থাকলেও তাদের সংস্কৃতির সঙ্গে আমাদের কিছুই মিল আছে।শিশু সাহিত্য আবিষ্কারে ইরান অনেক এগিয়ে।শিশুরা থাকবে হাসিতে ,

মানুষ থাকবে খুশিতে। ইরান অনেক যুদ্ধ করে নিজেদেরকে কে টিকিয়ে রাখতে পেরেছে। আমরাও একটি বিজয়ী জাতি।

দু’দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।  সম্মেলনে ৪টি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয় এবং ৩৪টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে।

এআরএস

Link copied!