ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কুবি শিক্ষার্থী ও তার মায়ের লাশ উদ্ধার: জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা প্রতিনিধি

সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫, ১২:০৬ এএম

কুবি শিক্ষার্থী ও তার মায়ের লাশ উদ্ধার: জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তার মায়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেয়।

নিহতরা হলেন—কুমিল্লা আদালতের প্রয়াত প্রধান হিসাবরক্ষক নুরুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (৫০) এবং তাদের কন্যা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন (২৪)।

রোববার দিবাগত রাতে ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। 

সোমবার দুপুরে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, নিহতদের শরীরে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও বিছানা ও আশপাশে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

নিহত সুমাইয়ার ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, বাসা থেকে চারটি মোবাইল ফোন ও বোনের ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের কোনো শত্রুতা বা আর্থিক লেনদেন ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

ভবনের মালিক আনিছুল ইসলাম রানা জানান, প্রায় চার বছর আগে নুরুল ইসলাম পরিবার নিয়ে এই বাসায় ওঠেন। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে সেখানে বসবাস করে আসছিলেন। নিচতলায় থাকা একটি শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রবিবার দিনের বেলায় একজন ব্যক্তি ওই বাসায় আসা-যাওয়া করেছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। 

বিক্ষোভকারীদের এক শিক্ষার্থী জিয়াউদ্দিন মুহাম্মদ রুবেল বলেন, “ইতিমধ্যে আমাদের এক সহপাঠীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল। এখন আরেকজন সহপাঠী ও তার মা খুন হয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতা মেনে নেওয়া যায় না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।”

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রাশেদুল হক চৌধুরী জানান, পুলিশ হত্যাকাণ্ডকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে শিক্ষার্থীরা এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখে। পরে বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেন।

ইএইচ

Link copied!