ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

পুরান ঢাকায় কলেজ শিক্ষার্থীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

জবি প্রতিনিধি

জবি প্রতিনিধি

অক্টোবর ২৬, ২০২৫, ১১:২৭ এএম

পুরান ঢাকায় কলেজ শিক্ষার্থীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

পুরান ঢাকার বংশাল এলাকায় প্রেমিকার বাসায় ডেকে নিয়ে সজিব (১৯) নামে এক শিক্ষার্থীকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর থেকে কথিত ওই প্রেমিকার পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছে। 

শনিবার বিকেলে বংশালের আগামাসি লেনের একটি বাসার চারতলার সিঁড়ি থেকে গলায় জিআই তার পেঁচানো অবস্থায় ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। নিহত সজিব স্থানীয় বংশাল আহমেদ বাউনিয়া স্কুল ও কলেজ থেকে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল।

বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. দুলাল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ওই বাসার চারতলার সিঁড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। প্রথমে অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহটি পাওয়া যায়। তবে পরে মোবাইলের মাধ্যমে ওই যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, গলায় জিআই তার পেঁচানো অবস্থায় ওই যুবকের মরদেহ উপুড় হয়ে সিঁড়িতে পড়ে ছিল। ওই বাসার চারতলায় শুধু একটি পরিবার থাকত বলে জানতে পেরেছি। এছাড়া বাসাটি পুরাটাই গোডাউন। আর চারতলার ওই বাসাটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই শিক্ষার্থীকে গলায় জিআই তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে।

এদিকে হাসপাতালে নিহত সজিবের চাচাতো ভাই মো. ইসলাম জানান, সজিবদের বাসা বংশালের আগামাসি লেনে। সে এবার স্থানীয় আহমেদ বাউনিয়া স্কুল ও কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। তবে অকৃতকার্য হয়। কিছুদিন আগে তাবলীগের সঙ্গে দোহারে গিয়েছিল। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বাসায় ফিরে আসে। সবশেষ শনিবার বিকেল ৩টার দিকে ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল। এরপর বিকালেই জানতে পারি একটি বাসার সিঁড়িতে তার মরদেহ পাওয়া গেছে।

সজিব আরও জানান, যে বাসায় সজিবের মরদেহ পাওয়া গেছে, ওই বাসার চারতলায় তার প্রেমিকার পরিবার থাকত। তবে ঘটনার পর থেকে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। ৬ বছর ধরে ওই মেয়েটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সজিবের। মাঝখানে একবার মনোমালিন্যও হয়েছিল। তবে মেয়েটির মামারা এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছিল না। এ কারণে সজিবের পরিবারের অভিযোগ, ওই মেয়ের দুই মামা ইকবাল ও কামাল সজিবকে হত্যা করেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার একটি বাসার সিঁড়ি থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুবায়েদ হোসাইনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন।

জেএইচআর

Link copied!