ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে আগুন

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে আগুন

ইরানে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। রাজধানী তেহরানের পাশাপাশি কোম, ইসফাহান, বান্দার আব্বাস, মাশহাদ, ফারদিস ও বোজনুর্দসহ দেশের বিভিন্ন শহরে নতুন করে বিক্ষোভের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ইসফাহানে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি-এর একটি ভবনে আগুন দেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে দেশজুড়ে সংবাদ ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র খুব কঠোরভাবে জবাব দিতে প্রস্তুত। এতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান অস্থিরতা মোকাবিলায় চরম সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, আন্দোলন শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৫ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের টার্গেট করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র লকড অ্যান্ড লোডেড—অর্থাৎ যে কোনো সময় হস্তক্ষেপে প্রস্তুত।

এই বক্তব্য আসে গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর, যা মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

এরই মধ্যে জার্মানি ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলও ইরানের কঠোর দমননীতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিদেশি সংশ্লিষ্ট উসকানিদাতা সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অবৈধ অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি পোস্টে দাবি করা হয়, ফারদিস শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। তবে এসব দাবিও তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়নি।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অর্থনৈতিক দুর্ভোগের কথা স্বীকার করলেও সহিংসতার জন্য বহিরাগত শক্তিকে দায়ী করেছেন।

ইরান সরকার জানিয়েছে, দেশটির সামরিক বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো হামলার জবাবে সীমাহীন প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে। তেহরানের ভাষায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডে হুমকি একটি লাল রেখা।

একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা জানায়, ৯ জানুয়ারি দেশজুড়ে ইন্টারনেট কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে তথ্য প্রবাহ সীমিত হয়ে পড়েছে এবং অস্থিরতা আরও বেড়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রকাশিত ভিডিওতে বিভিন্ন শহরে আগুন, কাঁদানে গ্যাস ও গোলাগুলির দৃশ্য দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করছে, যদিও সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক হতাহত সহিংস সংঘর্ষের ফল।

বুধবার নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দমন অভিযান না চালানোর নির্দেশ দেন। তিনি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারী ও সশস্ত্র দাঙ্গাকারীদের মধ্যে পার্থক্য করার কথা বলেন।

জেএইচআর

Link copied!