ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ঢাকার সঙ্গে ‘উষ্ণ সম্পর্ক’ চায় নয়াদিল্লি: ভিসা কড়াকড়ি শিথিলের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১১:৪৬ পিএম

ঢাকার সঙ্গে ‘উষ্ণ সম্পর্ক’ চায় নয়াদিল্লি: ভিসা কড়াকড়ি শিথিলের ইঙ্গিত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন ও ইতিবাচক অধ্যায় শুরু করতে চায় ভারত। প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও বহুমুখী সম্পর্ককে আরও সুসংহত এবং উষ্ণ করার লক্ষ্যে কাজ করার জোরালো প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লি। 

শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানান।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের কূটনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে যে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল, রণধীর জয়সোয়ালের আজকের বক্তব্য তাকে আরও স্বচ্ছ ও ইতিবাচক করে তুলেছে। গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তিতে যে কড়াকড়ি ও স্থবিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল, তা নিরসনে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে ভারত সরকার।

ব্রিফিংয়ে জয়সোয়ালকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, ভিসা সহজ করার সিদ্ধান্তই কি সম্পর্কের উন্নতির প্রথম ধাপ হতে চলেছে। সরাসরি উত্তর না দিলেও তিনি বলেন, বাংলাদেশে একটি নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। সম্পর্কের সার্বিক উন্নতির স্বার্থে ভিসা কার্যক্রমসহ সকল দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়েই আমরা নতুন সরকারের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনায় বসব। তিনি আরও যোগ করেন যে ভারত দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী।

ব্রিফিংয়ে জয়সোয়াল উল্লেখ করেন যে নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেন যে গত মঙ্গলবার তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা যোগ দিয়েছিলেন। ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে নরেন্দ্র মোদির লেখা একটি ব্যক্তিগত চিঠি তুলে দেন।

জয়সোয়াল বলেন, সেই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ বিনির্মাণে নয়াদিল্লির পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ভারত চায় বাংলাদেশের এই নতুন অভিযাত্রায় সহযোগী হতে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কেবল কৌশলগত নয়, বরং ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক।

তারেক রহমানের সঙ্গে ওম বিড়লার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রেখে কাজ করতে ভারত উন্মুখ। কানেক্টিভিটি, বাণিজ্য, জ্বালানি এবং নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। ব্রিফিংয়ের সময় জনৈক সাংবাদিক ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে করা এক নেতার মন্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জয়সোয়াল তা সুকৌশলে এড়িয়ে যান।

তিনি নির্দিষ্ট কোনো বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া না দিয়ে বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন এবং গঠনমূলক আলোচনার ওপর জোর দেন। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে নয়াদিল্লি এখন অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে একটি শক্তিশালী ও আস্থাশীল অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব গড়তে বেশি আগ্রহী।

রণধীর জয়সোয়ালের এই ব্রিফিং স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারত সরকার অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নতুন সরকারের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছে। বিশেষ করে ভিসা সমস্যা সমাধানের ইঙ্গিত দুই দেশের সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে আশার আলো সঞ্চার করবে। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের সফরের মাধ্যমে এই উষ্ণ সম্পর্ক কত দ্রুত বাস্তবে রূপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে ঢাকা ও নয়াদিল্লি।

জেএইচআর

Link copied!