ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
ক্রিপ্টোকারেন্সি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুপ্ত’ খেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ০৮:১০ পিএম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুপ্ত’ খেলা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত এখন কেবল সীমান্ত বা আকাশসীমায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে ডিজিটাল মুদ্রার (ক্রিপ্টোকারেন্সি) ‘গুপ্ত’ জগতেও। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে তেহরান যেমন ক্রিপ্টোকারেন্সিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, তেমনি ওয়াশিংটনও মরিয়া হয়ে উঠেছে এই ডিজিটাল অর্থপ্রবাহ বন্ধ করতে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইরানের ক্রিপ্টো অর্থনীতির বর্তমান আকার ৭৭৮ কোটি ডলারেরও বেশি। দেশটির ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি) এই খাতের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। 

ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে তেল বিক্রি, অস্ত্র ক্রয় ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে মূল হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান। এমনকি গত এপ্রিলে ইরান ঘোষণা দেয় যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে মাশুল দিতে হবে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে।

তেহরানের এই বিকল্প অর্থনৈতিক পথ বন্ধ করতে সম্প্রতি কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্রিপ্টো ওয়ালেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রায় ৩৪ কোটি ৪০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সব আর্থিক ‘লাইফলাইন’ শনাক্ত করে তা বিচ্ছিন্ন করা হবে।

২০১৮ সাল থেকে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের মান প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ তাদের সঞ্চয়ের মান ধরে রাখতে ক্রিপ্টোকারেন্সির দিকে ঝুঁকেছিল। কিন্তু আইআরজিসি এই খাতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় এবং মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ওফ্যাক’ ইরানের পুরো ক্রিপ্টো ব্যবস্থাকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করায় সাধারণ ব্যবহারকারীরা বিপাকে পড়েছেন। বিদেশি কোম্পানিগুলো এখন ইরানিদের সঙ্গে লেনদেন করতে অনীহা প্রকাশ করছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরানে ক্রিপ্টো কার্যক্রম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষের আগে স্থানীয় প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্থ সরানোর হার ১৫০ শতাংশ বেড়ে যায়। এর মধ্যে গত ১৮ জুন এক সাইবার হামলায় ইরানের বৃহত্তম ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্ম ‘নোবিটেক্স’ থেকে ৯ কোটি ডলারের সম্পদ চুরি হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশ্ব ব্যাংকিং ব্যবস্থা এড়াতে বড় অংকের ‘ইউএসডিটি’ (ডলার সমর্থিত ক্রিপ্টোকারেন্সি) সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে।

জেএইচআর

Link copied!