ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

জেলখানায় রহস্যময় সুইসাইড নোটে কী লিখেছিলেন এপস্টাইন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ৭, ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম

জেলখানায় রহস্যময় সুইসাইড নোটে কী লিখেছিলেন এপস্টাইন?
 সংগৃহীত ছবি

মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টাইনের মৃত্যুকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েক বছর গোপন থাকার পর আদালতের নির্দেশে এবার প্রকাশ্যে এসেছে তার লেখা বলে দাবি করা একটি সুইসাইড নোট।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, চিরকুটটি এতদিন আদালতের নথির সঙ্গে গোপন অবস্থায় ছিল। এটি এপস্টাইনের সাবেক কক্ষসঙ্গী নিকোলাস টারটাগ্লিওনের মামলার নথির অংশ হিসেবে সংরক্ষিত ছিল।

হাতে লেখা ওই নোটে এপস্টাইন অভিযোগ করেন, দীর্ঘ তদন্তের পরও তার বিরুদ্ধে নতুন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারপরও বহু পুরোনো অভিযোগ টেনে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে সেখানে উল্লেখ করেন তিনি।

চিরকুটে হতাশা ও ক্ষোভের ভাষাও উঠে আসে। সেখানে তিনি লেখেন, নিজের বিদায়ের সময় নিজে নির্ধারণ করতে পারা এক ধরনের সৌভাগ্য। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, মানুষ কি তাকে ভেঙে পড়তে দেখতে চায়? নোটের শেষ দিকে বড় অক্ষরে তিনি লিখেছিলেন, “কোনো আনন্দ নেই” এবং “এটার কোনো মূল্য নেই”।

টারটাগ্লিওনের দাবি, ২০১৯ সালের জুলাইয়ে এপস্টাইনের প্রথম আত্মহত্যাচেষ্টার পর তাদের সেলে থাকা একটি গ্রাফিক নভেলের ভেতরে তিনি এই চিরকুটটি খুঁজে পান। পরে সেটি আইনজীবীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা টারটাগ্লিওন বর্তমানে হত্যাকাণ্ডের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত। তার আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দেন, এই নোট প্রমাণ করে এপস্টাইন নিজের ক্ষতি নিজেই করতে চেয়েছিলেন এবং টারটাগ্লিওনের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।

এর কয়েক সপ্তাহ পর কারাগারে এপস্টাইনের মৃত্যু হয়। সরকারি মেডিকেল রিপোর্টে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও, তা নিয়ে বিতর্ক ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব আজও থামেনি।

আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি নথিটি প্রকাশ করা হলেও এর সত্যতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোটের ভাষা এপস্টাইনের আগের ইমেইলের ভাষার সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন বিচার বিভাগও জানিয়েছে, এই নথি আগে তাদের মূল তদন্ত ফাইলে ছিল না।

উল্লেখ্য, এপস্টাইনের বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের নিয়ে যৌন শোষণের একটি বড় নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগ ছিল। যদিও জীবদ্দশায় তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে এপস্টাইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের উদ্যোগ জোরদার হয়। সেই ধারাবাহিকতায় লাখ লাখ তদন্ত নথি প্রকাশ করা হয়, যেখানে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন নানা তথ্য সামনে আসে।

সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস

এএন

Link copied!