ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে ইউরোপের শক্তিশালী ৪ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুন ১৫, ২০২৬, ১২:০২ পিএম

ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে ইউরোপের শক্তিশালী ৪ দেশ
ফাইল ছবি

দীর্ঘদিন পর অবশেষে বৈরিতার অবসান ঘটিয়ে শান্তিচুক্তিতে একমত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বহুল প্রতিক্ষিত এই সমঝোতাকে বিশ্ব নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক মহল। 

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে এবার ইরানের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপের চার শীর্ষ পরাশক্তি- যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি।

রোববার এই চার দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তারা ইরানের ওপর আরোপিত সব ধরনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

যৌথ বিবৃতিতে ইউরোপীয় নেতারা উল্লেখ করেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্পষ্ট ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্ট সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আলোচনার গতি ধরে রাখতে এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে তারা যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবেন। তবে ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই মেগা চুক্তির পেছনে অন্যতম মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে কাজ করেছে কাতার ও পাকিস্তান। চুক্তির সফল অগ্রগতিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পাকিস্তান সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সব পক্ষই আগামী দিনের আলোচনাগুলোতে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখবে।

আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে যাওয়া এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বের অন্যান্য প্রভাবশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরাও। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এই শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা হরমুজ প্রণালিতে অবাধ ও নিরাপদ আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল নিশ্চিত করবে।

অন্যদিকে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস মার্কিন ও ইরানি নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই চুক্তি পুনরুজ্জীবিত বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং একটি নিরাপদ মধ্যপ্রাচ্যের পথ প্রশস্ত করবে। নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্সও চুক্তির সব শর্ত দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, পুরো বিশ্ব দীর্ঘ সময় ধরে এই সুসংবাদের অপেক্ষায় ছিল। এই চুক্তি অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা আনবে বলে তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন। একই সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া পর্যন্ত সব পক্ষকে উসকানিমূলক বক্তব্য ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই চুক্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম রুট হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিকের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মহাসচিব আশা প্রকাশ করছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এই নতুন ইতিবাচক গতিধারাকে কাজে লাগিয়ে চলমান সংকটের একটি চূড়ান্ত ও স্থায়ী সমাধান টানবে।

এএন

Link copied!