ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাল সৌদি আরবের প্রতিনিধিদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ৪, ২০২৬, ১২:৩২ এএম

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাল সৌদি আরবের প্রতিনিধিদল

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে সৌদি আরব। শুক্রবার দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এল খেরেজির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিনিধি দল তেহরানে এসে খামেনির মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানায়।

এর আগে আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল, সৌদি আরব হয়তো খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য তাদের প্রতিনিধি দল চূড়ান্ত করেনি বা পাঠাবে না। তবে শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সৌদির উচ্চপর্যায়ের এই দল তেহরানে এসে পৌঁছায়।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর জন্য ইরান সরকার সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে, যা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। প্রথম দিন অর্থাৎ শুক্রবার খামেনির মরদেহ শুধুমাত্র আমন্ত্রিত বিদেশি প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার থেকে সাধারণ মানুষের দেখার জন্য তাঁর কফিন উন্মুক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও লেবাননে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী খামেনি। সেই দিনই তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও মারা যান। হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ইরান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি থাকার কারণে ইরানের সেই পাল্টা হামলায় সৌদিসহ গালফ অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে তেহরানের কূটনৈতিক সম্পর্কের বড় ধরনের অবনতি ঘটেছিল। তবে বর্তমানের এই যুদ্ধকালীন ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্যেও খামেনির প্রতি সৌদির শ্রদ্ধা জানানোর ঘটনাটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, এটি দুই দেশের মধ্যকার ভবিষ্যৎ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা এবং কূটনৈতিক সৌজন্যের একটি বড় প্রকাশ।

এদিকে, গালফ বা উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো এখন পর্যন্ত খামেনির মৃত্যুতে কোনো আনুষ্ঠানিক ও বড় ধরনের শোকবার্তা প্রকাশ করেনি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিরবতার মাধ্যমে তারা মূলত ইরানের সম্ভাব্য নতুন সুপ্রিম লিডার ও খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে সরাসরি ক্ষমতার শীর্ষে অস্বীকৃতি জানানো বা তাঁর সাথে এখনই বৈরি সম্পর্ক তৈরি করা থেকে বিরত থাকছে।

জেএইচআর

Link copied!