ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬

চার মাস পর দাফন, এতদিন কোথায় ছিল খামেনির মরদেহ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ৩, ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম

চার মাস পর দাফন, এতদিন কোথায় ছিল খামেনির মরদেহ?

দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতির পর শুক্রবার ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, আজ থেকে ইরান ও ইরাকের অন্তত পাঁচটি শহরে সাত দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠান ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা (IRNA) জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবার (৪ জুলাই) তাঁর মূল জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশটির কোটি কোটি সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ আন্তর্জাতিক কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিন গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে উপস্থিত হাজারো মানুষ কালো পোশাক পরে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। লাল ফুল ও সাদা প্রজাপতির প্রতীকী সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে কফিনটি রাখা হয়েছে।

কেন চার মাস পর দাফন? সাধারণত ইসলামি রীতিতে মৃত্যুর পর যত দ্রুত সম্ভব দাফন সম্পন্ন করার নিয়ম থাকলেও, খামেনির ক্ষেত্রে চার মাস পর দাফনের এই সিদ্ধান্ত বেশ অস্বাভাবিক। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন তিনি।

ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খামেনির মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল ছিল। এ কারণে সে সময় বড় পরিসরে জানাজা ও দাফনের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি এবং সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থেই রাষ্ট্রীয়ভাবে এই অনুষ্ঠান স্থগিত রাখা হয়েছিল।

মরদেহ এতদিন কোথায় ছিল? খামেনির মরদেহ এতদিন কোনো গোপন স্থানে অস্থায়ীভাবে দাফন করে রাখা হয়েছিল- এমন গুঞ্জন ছড়ালেও ইরানি কর্তৃপক্ষ তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, পুরোটা সময় মরদেহ ইসলামি শরিয়াহ এবং দেশের প্রচলিত আইন মেনেই যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ ওমর বলেন, ইসলামে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে মরদেহ সংরক্ষণ করা (এম্বামিং) নিরুৎসাহিত করা হয়। তাই খামেনির মরদেহ রাসায়নিক উপায়ে সংরক্ষণ না করে, অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রার আধুনিক শীতল সংরক্ষণাগারে (কোল্ড স্টোরেজ) রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বিশেষ ও জরুরি পরিস্থিতিতে শিয়া ইসলামি আইনে দাফনে বিলম্ব করার এবং শীতল পরিবেশে মরদেহ সংরক্ষণের অনুমতি রয়েছে। একজন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার ক্ষেত্রে এ ধরনের ধর্মীয় ছাড় পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাছাড়া ইরানের ফরেনসিক মর্গগুলোতে বিভিন্ন তদন্ত বা আইনি কারণে অনেক সময় মরদেহ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে চার মাস ধরে কোল্ড স্টোরেজে মরদেহ রাখা দেশটির ধর্মীয় ও আইনি কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তবে খামেনির মরদেহ ঠিক কী ধরনের প্রযুক্তিগত পদ্ধতিতে নিখুঁতভাবে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

জেএইচআর

Link copied!