ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
চিফ প্রসিকিউটর

ইলিয়াস আলীকে গুম করেছিলো জিয়াউল আহসান, প্রমাণ মিলেছে 

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২১, ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

ইলিয়াস আলীকে গুম করেছিলো জিয়াউল আহসান, প্রমাণ মিলেছে 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্ত এবং সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ইলিয়াস আলীর অপহরণে জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

এদিকে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার অধীনে কর্মরত ছিলেন এমন এক কর্মকর্তা। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি ইলিয়াস আলীর গুমের ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল র‍্যাব হেডকোয়ার্টার থেকে মেজর জিয়াউল, মেজর নওশাদ ও সাইফ স্যারের সঙ্গে মহাখালী ফ্লাইওভারের এলাকায় যান তিনি। সেখানে একটি নির্দিষ্ট ‘টার্গেট’-এর জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছিল। তবে ওই ব্যক্তি সেদিন আসেননি বলে জানান তিনি।

জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, পরদিন তিনি ছুটিতে চলে যান এবং ১৮ এপ্রিল গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারেন যে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী মহাখালী এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। ছুটি শেষে ২৩ এপ্রিল কর্মস্থলে ফিরে র‍্যাব হেডকোয়ার্টারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করেন। নিয়মিত সময়ের পরিবর্তে সকাল ৭টায় রোল-কল অনুষ্ঠিত হচ্ছিল এবং কয়েকদিন ধরে জিয়াউল আহসান খুব সকালে অফিসে আসতেন।

সাক্ষী দাবি করেন, একদিন তিনি জিয়াউল আহসানকে ফোনে কথা বলতে শুনেছিলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি বলতে শুনেছেন, আপনাদের কথামতো ইলিয়াস আলীকে গলফ (গুম) করলাম। এখন আপনারা এরকম করলে হবে? আমি কমান্ডো মানুষ। তাহলে পোস্টিং দিয়ে জঙ্গলে পাঠিয়ে দিন।

জবানবন্দিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার পর র‍্যাব হেডকোয়ার্টারের কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ ধ্বংস করা হয়েছিল।

রোববার সকালে মামলার একমাত্র আসামি মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতেই সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন।

এম জি

Link copied!