ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

শ্রেণিকক্ষে হাঁটুপানি, ভাড়া করা ঘরে চলছে পাঠদান: শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ

রাজয় রাব্বি, অভয়নগর (যশোর)

রাজয় রাব্বি, অভয়নগর (যশোর)

আগস্ট ২৭, ২০২৫, ০২:৩৬ পিএম

শ্রেণিকক্ষে হাঁটুপানি, ভাড়া করা ঘরে চলছে পাঠদান: শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ

যশোরের দুঃখখ্যাত ভবদহ অঞ্চলে অতিবৃষ্টির কারণে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে অভয়নগর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও নওয়াপাড়া পৌরসভার অন্তত ২৬টি গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। 

জুলাই ও আগস্টে কয়েক দফা ভারী বর্ষণে উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও শিক্ষার্থীরা নৌকায় করে স্কুলে আসছে, আবার কোথাও বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে আসতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সুন্দলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠ হাঁটু পানিতে ডুবে আছে। বিদ্যালয়ে পাঠদান চালিয়ে যেতে শিক্ষকরা পাশের বাজারে তিনটি ঘর ভাড়া করে ক্লাস নিচ্ছেন। 

শুধু এই বিদ্যালয় নয়—বেদবিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সড়াডাঙ্গা ডহর মশিয়াহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে গেছে। শৌচাগার ও নলকূপ ডুবে যাওয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, খাবার পানিরও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বিপ্লবী সরকার বলেন, “বিদ্যালয়ে আসতে কোমর পানি পার হতে হয়। মাঠে হাঁটুপানি, ক্লাসরুমেও পানি ঢুকে যায়। তবুও পড়তে আসি।”

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মিলি বিশ্বাস বলেন, “ক্লাসরুম ভিজে থাকায় ঠিকভাবে পড়ালেখা করা যায় না। তবুও চেষ্টা করছি।”
বেদবিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সঞ্জিত কুমার জানান, “এক মাস ধরে মাঠ পানিতে ডোবা। অনেক সময় পড়ে গিয়ে বই-খাতা ভিজে যায়। পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে।”

উজ্জ্বল চক্রবর্তী নামের এক শিক্ষক বলেন, “শতাধিক শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও পানির কারণে তারা নিয়মিত ক্লাসে আসতে পারছে না। আমরা বাড়ি গিয়ে আনার চেষ্টা করি, কিন্তু অনেকেই আগ্রহ দেখায় না। জীবিকা নির্বাহের জন্য অনেক পরিবার এখন মাছ ধরার দিকে ঝুঁকেছে।”

অভয়নগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল কাশেম বলেন, “উপজেলার অন্তত আটটি স্কুলের মাঠ পানিতে তলিয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা কষ্ট করে স্কুলে যাচ্ছে। বিকল্প শ্রেণিকক্ষের মাধ্যমে পাঠদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “অন্তত দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পুরোপুরি পানিতে ডুবে গেছে। তবুও বিকল্প উপায়ে পাঠদান অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে।”

ইএইচ

Link copied!