ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

প্রার্থীদের আয়ের চালচিত্র, স্লল্প আয়ের প্রাধান্য

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম

প্রার্থীদের আয়ের চালচিত্র, স্লল্প আয়ের প্রাধান্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের অর্থনৈতিক অবস্থার এক চাঞ্চল্যকর চিত্র প্রকাশ করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক বা সুজন। হলফনামা বিশ্লেষণের মাধ্যমে সুজন জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের একটি বড় অংশই নিম্ন আয়ের। আবার মুষ্টিমেয় কিছু প্রার্থীর হাতে রয়েছে বিপুল অর্থবিত্ত।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।

সুজনের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নেওয়া ২ হাজার ২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে আয়ের বৈষম্য প্রকট। ৮৩২ জন প্রার্থীর বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকার কম, যা মোট প্রার্থীর ৪১ শতাংশ। অন্যদিকে বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকার ওপরে এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৯৫ জন। এই কোটিপতি প্রার্থীদের মধ্যে ৫১ জনই বিএনপির প্রার্থী।

আয়ের অন্যান্য স্তরের মধ্যে ৭৪১ জন প্রার্থীর আয় ৫ থেকে ২৫ লাখ টাকার মধ্যে। ১৩২ জনের আয় ২৫ থেকে ৫০ লাখ এবং ৭১ জনের আয় ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার মধ্যে। এ ছাড়া ১৫৫ জন প্রার্থী তাঁদের আয়ের তথ্য হলফনামায় দেননি। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গত নির্বাচনের তুলনায় কোটিপতি প্রার্থীর হার কিছুটা কমলেও রাজনীতিতে বিত্তবানদের আধিপত্য এখনো লক্ষণীয়।

সুজন এবারের নির্বাচনের শীর্ষ ১০ জন আয়কারী প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় ৬ জনই বিএনপির মনোনীত প্রার্থী। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন কুমিল্লা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী জাকারিয়া তাহের, যাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুল ইসলামের আয় ৪০ কোটি টাকা।

তালিকায় আরও রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের ইসলামী আন্দোলনের জাকির হোসেন পাটওয়ারী, যাঁর আয় ১৯ কোটি টাকা। ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের আয় ৯ কোটি টাকা এবং টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীরের আয় ৮ কোটি টাকা। কক্সবাজার-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদের আয় প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা।

এ ছাড়া কুমিল্লা-৫ আসনের মো. জসীম উদ্দিন ও নেত্রকোনা-১ আসনের কায়সার কামালের আয় ৫ কোটি টাকা করে। চট্টগ্রাম-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম রাহীর সাড়ে ৪ কোটি এবং কুমিল্লা-৭ আসনের বিএনপি প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদের আয় ৪ কোটি টাকা। সুজনের বিশ্লেষণ বলছে, এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি সম্পদশালী প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি।

দলের ভিত্তিতে কোটিপতি প্রার্থীদের পরিসংখ্যানে দেখা যায় বিএনপির ৫১ জন, স্বতন্ত্র ২৫ জন এবং জাতীয় পার্টির ৫ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। এটি থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মাঠপর্যায়ে সাধারণ কর্মীদের আধিক্য থাকলেও প্রার্থিতার পর্যায়ে ব্যবসায়িক ও ধনী ব্যক্তিদের প্রাধান্য এখনো বেশ মজবুত।

সুজন দেখিয়েছে যে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনে অতি ধনী এবং অতি দরিদ্র প্রার্থীর হার উভয়ই কিছুটা কমেছে। দ্বাদশ নির্বাচনে ১ কোটি টাকার বেশি আয় ছিল ৮.৭৭ শতাংশ প্রার্থীর, এবার তা ৪.৫৯ শতাংশ। একইভাবে ৫ লাখের কম আয় ছিল ৪৫ শতাংশ প্রার্থীর, যা এবার কমে দাঁড়িয়েছে ৪১ শতাংশে।

সংবাদ সম্মেলনে সুজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার বলেন, হলফনামায় অনেক প্রার্থী সঠিক তথ্য দেননি বলে তাঁদের সন্দেহ রয়েছে। হলফনামার তথ্যগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করার জন্য তাঁরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আর্থিক তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে তাঁরা মনে করেন।

জেএইচআর

Link copied!