ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
ডিএমপি কমিশনার

অরাজকতা করলে বসে থাকবে না পুলিশ, ভোট হবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম

অরাজকতা করলে বসে থাকবে না পুলিশ, ভোট হবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায়

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তা বলয় ও পুলিশের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার। 

সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ভোটের দিন ভোটারদের নিরাপত্তা ও কেন্দ্রের শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো প্রকার আপস করা হবে না। একই সাথে তিনি সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্দোলন ও বিশৃঙ্খলা দমনে পুলিশের কঠোর অবস্থানের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।

নির্বাচনী এলাকার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন ডিএমপি কমিশনার। 

তিনি জানান, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্রে ৪ জন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন। সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ৩ জন করে পুলিশ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।

তাছাড়া, থানা থেকে ৫ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে অবস্থিত রাজধানীর উপকণ্ঠের এমন ৩৭টি ‘দুর্গম’ কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এই বিশেষ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৭ জন করে পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন বলেও ডিএমপি কমিশনার জানান। 

কমিশনার আশ্বস্ত করেন যে, আনসার ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে একটি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে সাংবাদিক, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীসহ সকল পেশাজীবীর নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নির্বাচনে পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে থাকা সংশয় দূর করতে ডিএমপি কমিশনার বলেন, গত ১৫ মাসের পরিসংখ্যান এবং পুলিশের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, আমরা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করিনি। পুলিশের কাজের ধরন ও পেশাদারিত্বই প্রমাণ করে যে আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। তিনি আরও যোগ করেন, জনগণের জানমালের সুরক্ষা দেওয়াই পুলিশের প্রধান ধর্ম, কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন নয়।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে গত শুক্রবারের আন্দোলন এবং ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচি দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সম্মুখীন হন কমিশনার। এ প্রসঙ্গে তিনি কিছুটা কঠোর সুরে বলেন, আন্দোলনের নামে যখন সরকারপ্রধানের বাসভবন (যমুনা) ঘেরাও করে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয়, তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত গুটিয়ে বসে থাকার সুযোগ নেই।

তিনি আরও উদাহরণ টেনে বলেন, ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো কার্যালয়ে যখন আক্রমণ হলো, তখন রাত ১১টার তীব্র যানজটের কারণে আমার অফিসাররা সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি। কিন্তু রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা সরকারপ্রধানের বাসভবন রক্ষায় পুলিশকে সর্বোচ্চ কঠোর হতে হয়। বিশৃঙ্খলা দমনে ডিএমপি সবসময় তৎপর।

সংবাদ সম্মেলনে ভোট কারচুপি ও গুজব নিয়ে কথা বলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এম নজরুল ইসলাম। তিনি কারচুপির আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে একটি স্বচ্ছ পদ্ধতির কথা জানান। 

তিনি বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শেষে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ব্যালট পেপারের মুড়ি (Counterfoil) গণনা করবেন। ব্যালট বক্সে থাকা মোট ভোটের সংখ্যা অবশ্যই মুড়ির সংখ্যার সাথে মিলতে হবে। যদি বাইরে থেকে বাড়তি ব্যালট ঢোকানো হয়, তবে গণনার সময় মুড়ির সাথে অমিল ধরা পড়বে এবং সেই ফলাফল কেউ গ্রহণ করবে না।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অপপ্রচার বা গুজবে কান না দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

ডিএমপি কমিশনার তার বক্তব্যের শেষে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনী প্রস্তুত। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য রাজপথে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

এএন

Link copied!