ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

টিকা কার্যক্রম সফল হলে এক মাসে কমতে পারে হামের সংক্রমণ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১০:৫৯ এএম

টিকা কার্যক্রম সফল হলে এক মাসে কমতে পারে হামের সংক্রমণ
ফাইল ছবি

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যোগ হচ্ছে। গত ৯ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১০ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ১৭৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ১৬৮ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১৪৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ২৩ জনের মৃত্যু সরাসরি হামে হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত শিশু ২ হাজার ৪০৯ জন এবং সন্দেহজনক রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮ হাজার ৯১০ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৬ হাজার ৬০৯ জন শিশু।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ইতোমধ্যে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম চলছে। আগামী ১২ এপ্রিল ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটিতে এবং ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে টিকা দেওয়া যাবে, পূর্বে টিকা নেওয়া থাকলেও। তবে জ্বর বা গুরুতর অসুস্থ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এক মাসের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করবে। তবে মৃত্যুহার কমতে আরও সময় লাগতে পারে। টিকার প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠতে সাধারণত ১৫ দিন থেকে এক মাস সময় লাগে।

শিশু সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মীর্জা মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, টিকা নেওয়ার পর শরীরে মেমোরি সেল তৈরি হয়, যা পরবর্তী ডোজে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাই এক মাসের মধ্যে এর প্রভাব দেখা যায়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “টিকার কারণে এক মাসের মধ্যে রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করবে। তবে মৃত্যুর হার কমতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।” তিনি আরও জানান, একটি টিকা আংশিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে, আর দুই ডোজ টিকা শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্ত শিশুরা বেশিরভাগই পরিবারের বা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার সংস্পর্শে এসে সংক্রমিত হচ্ছে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে ঢাকা ও আশপাশের এলাকা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং এলাকাভিত্তিক আইসোলেশন কার্যক্রম জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এএন

Link copied!