ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী 

প্রতিটি ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ০১:২৬ পিএম

প্রতিটি ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পৃথিবীতে নানা ধর্ম রয়েছে এবং প্রতিটি ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে। তিনি বৌদ্ধ ধর্মের মূল শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে পঞ্চশীল নীতির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে প্রাণী হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা বলা এবং মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রেম, অহিংসা ও সর্বজীবে দয়ার শিক্ষা বৌদ্ধ ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনোভাবেই ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না এবং অতীতেও এমনটি করেনি।

বৌদ্ধ ধর্মের মূল শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন,  এসব নৈতিক নির্দেশনা শুধু ধর্মীয় অনুশাসন নয়, বরং মানবিক সমাজ গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। রাষ্ট্রীয় আইন মেনে চলার পাশাপাশি নাগরিকরা যদি নিজ নিজ ধর্মীয় মূল্যবোধ অনুসরণ করেন, তাহলে একটি মানবিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নির্বিঘ্নে নিজের ধর্মীয় অধিকার পালন করতে পারবেন। দল, মত, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপত্তা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য একটি নিরাপদ রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। সে সময় কারো ধর্মীয় পরিচয় গুরুত্বপূর্ণ ছিল না; বরং সবাই মিলেই দেশ স্বাধীন করেছে।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই দর্শনই দেশের বিভিন্ন ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম। তিনি সবাইকে নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে না দেখে সমান নাগরিক হিসেবে ভাবার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী দিপেন দেওয়ানসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক ও বুদ্ধমূর্তির প্রতিকৃতি তুলে দেওয়া হয়।

এম জি

Link copied!