ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

দেশে আবারও ভূমিকম্প, কী বলছে কোরআন ও বিশেষজ্ঞরা

শাহিনুর রহমান

শাহিনুর রহমান

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ০১:২০ পিএম

দেশে আবারও ভূমিকম্প, কী বলছে কোরআন ও বিশেষজ্ঞরা

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে একের পর এক ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে ইসলাম ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ কোরআন ও হাদিসে ভূমিকম্প নিয়ে কী বলা হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

কোরআনে ভূমিকম্পকে কেবল প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষকে সতর্ক করার নিদর্শন হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

পবিত্র কোরআনের সূরা যিলযালে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের সময়ের ভয়াবহ ভূমিকম্পের বর্ণনা দিয়েছেন। 

সূরা যিলযাল (৯৯:১-২) এ বলা হয়েছে: যখন পৃথিবী তার প্রবল কম্পনে কেঁপে উঠবে এবং সে তার ভেতরের সব বোঝা বের করে দেবে।

এ আয়াতে কিয়ামতের পূর্বে সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিকম্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা মানুষের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত।

কোরআনে অতীতের কিছু জাতির অবাধ্যতা ও জুলুমের কারণে তাদের ওপর ভূমিকম্পের মাধ্যমে শাস্তি নেমে আসার কথাও উল্লেখ রয়েছে। 

সূরা আল-আরাফ (৭:৭৮) এ বলা হয়েছে: অতঃপর এক মহা ভূমিকম্প তাদেরকে পাকড়াও করল, ফলে তারা নিজ নিজ ঘরে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।

সূরা রূম (৩০:৪১) এ আল্লাহ বলেন, মানুষের কৃতকর্মের ফলে স্থলে ও সমুদ্রে বিপর্যয় দেখা দেয়, যাতে মানুষ নিজেদের ভুল থেকে ফিরে আসে। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জন্য আত্মশুদ্ধির বার্তা বহন করে।

হাদিস শরিফে রাসূলুল্লাহ  ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে সমাজে নৈতিক অবক্ষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে সতর্ক করেছেন। এক হাদিসে তিনি বলেছেন, সমাজে ব্যভিচার, সুদ, অশ্লীলতা ও গুনাহ প্রকাশ পেলে ভূমিকম্পসহ নানা ধরনের বিপর্যয় নেমে আসে।

ইসলামি আলেমদের মতে, ভূমিকম্প মানুষের জন্য আল্লাহর শক্তির স্মারক এবং তওবা ও সংশোধনের আহ্বান। তারা বলছেন, দুনিয়ার এই অস্থিরতা মানুষকে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার বার্তা দেয়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলেন, রিখটার স্কেলে ৪-এর নিচের ভূমিকম্প সাধারণত হালকা মাত্রার হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকে। তবে বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থান করায়, এ ধরনের ঘনঘন কম্পনকে অবহেলা করা উচিত নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল কয়েকটি সক্রিয় ভূমিকম্প রেখার কাছাকাছি অবস্থিত, ফলে এখানে মাঝেমধ্যেই মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হতে পারে। তারা ভবন নির্মাণে ভূমিকম্প সহনশীল নকশা অনুসরণ এবং জরুরি প্রস্তুতি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

জেএইচআর

Link copied!