ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
জাপা মহাসচিব

জামায়াত-বিএনপি যৌথভাবে পাল্লা দিয়ে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে

আবু তাহের 

আবু তাহের 

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

জামায়াত-বিএনপি যৌথভাবে পাল্লা দিয়ে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, কোন কোন সেন্টারে জামায়াত-বিএনপি যৌথভাবে পাল্লা দিয়ে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে। 

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় পার্টির মূল্যায়ন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। 

এইচ এম এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির (জাপা) পুরোপুরি ভরাডুবি হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর এই প্রথম দলটির কোনো প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির কোনো প্রার্থী মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারেননি। এর মধ্যে দলটির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রংপুরেও বিপর্যস্ত হয়েছে দলটি। এটিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ জাতীয় পার্টির রাজনীতির শেষ হিসেবে দেখছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দলটির মহাসচিব আজ নির্বাচন পরবর্তী প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে৷ 

সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানান। তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হলে সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, না হলে ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে৷ এ প্রসঙ্গে তিনি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার উল্লেখ করে বলেন- জিয়াউর রহমান একসময় আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-কে রাজনৈতিক পরিসরে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন ইউনুস সরকার চায়নি বলেই জাতীয় পার্টি একটা আসনও পায়নি।

মহাসচিব তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তিনিও যেন তাঁর বাবার মতো বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন এবং সকল রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন।

মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, দেশে কোনোভাবেই “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” ছিল না। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি ও প্রশাসনিক চাপের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিপন্থি।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, “জেলে থেকে কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে সেটিকে কীভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলা যায়?” গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থে তাদের দল নির্বাচনে অংশ নিলেও বাস্তবে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়নি।

মহাসচিব অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট কমানো, ফলাফল ঘষামাজা এবং “হাইব্রিড ভোট” দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অনেক স্থানে এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং প্রশাসনিক সহায়তায় নির্বাচনী “ইঞ্জিনিয়ারিং” করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় জামায়াত-বিএনপি জোটের সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলেন তিনি।

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটের সময় এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার নজির রয়েছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত। হ্যাঁ ভোটকে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই ইউনুস সরকার এমনটি করেছে।

এছাড়া, শহীদ মিনারে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জাতির চেতনাবিরোধী। তিনি দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। মহাসচিবের বক্তব্যে নির্বাচনী পরিবেশ, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

এএন

Link copied!