বেলাল হোসেন ও মেহেদী হাসান মাসুদ
নভেম্বর ৭, ২০২২, ০১:১০ এএম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন বদলি বন্ধ থাকার পর শুধু উপজেলার অভ্যন্তরে বদলি চালু হলেও নানা শর্তে আবেদনই করতে পারেননি হাজার হাজার শিক্ষক। যারা আবেদন করেছিলেন তারাও হতাশ।
শিক্ষকদের অভিযোগ— বদলিতে চরম অনিয়ম হয়েছে। বেশ কিছু অভিযোগে দেখা গেছে জুনিয়র শিক্ষকরা বদলি অর্ডার পেয়েছেন। অনেক সিনিয়র শিক্ষক বলছেন, চাকরিতে যোগদানের দিক থেকে সিনিয়র, বাসা থেকে দূরত্বের দিক বিবেচনায় বেশি অথচ বদলি হতে পারলাম না। তারা কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না অনলাইনে কিভাবে উল্টো কাণ্ড ঘটল।
এখন প্রশ্ন উঠেছে— তবে কি স্থানীয় শিক্ষা অফিসের অদৃশ্য হাত ছিল! যারা বদলির আদেশ পেয়েছেন তাদের অধিকাংশ তথ্য গোপন কিংবা অসদুপায়ের মাধ্যমে বদলি হতে পেরেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনলাইন সফটওয়্যারে বদলি চালু করায় অনিয়মের দায় কেউ স্বীকার করছেন না। শিক্ষকরা বলছেন, জেলা, বিভাগ বদলি বন্ধ থাকায় সব থেকে বেশি সমস্যার সম্মুখীন শিক্ষকরাই বদলিতে অধরা থেকে যাচ্ছেন। শর্তহীন ও সব ধরনের বদলি খুলে দেয়ার দাবি করেছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা।
দুনীতি বন্ধে দীর্ঘদিন বদলি বন্ধ থাকলেও অনলাইন বদলিতেও অভিযোগ উঠেছে আর্থিক দুর্নীতির। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেক সমলোচনার ঝড় বইছে।
তবে শিক্ষা অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মের কোনো ব্যত্যয় হয়নি। সঠিকভাবেই বদলি প্রক্রিয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০২০ সালের জরিপ অনুযায়ী, দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে তিন লাখ ৬৭ হাজার ৪৮০ জন শিক্ষক রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৩১ হাজার ৫৬৯ জন। এর মধ্যে নারী শিক্ষক রয়েছেন দুই লাখ ৩৫ হাজার ৯১১ জন, যার বড় একটি অংশ বদলিপ্রত্যাশী।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের এপ্রিলে অনলাইনে বদলির উদ্যোগ নেয়া হয়ে। ২০২০ সাল থেকে এই বদলি শুরু হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয় মন্ত্রণালয় থেকে। পরবর্তীতে করোনা ভাইরাসের কারণে কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। চলতি বছরের ২৯ জুন কালিয়াকৈর উপজেলায় অনলাইন সফটওয়্যারের পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
পরবর্তীতে ১৫ সেপ্টেম্বর শুধু উপজেলার অভ্যন্তরে ১৫ দিনের সুযোগ রেখে অনলাইনে বদলি শুরু হয়। পরবর্তীতে আরও সময় বাড়িয়ে ৯ অক্টোবর করা হয়। বদলি নীতিমালায় কিছুটা সংশোধন আনা হয়। যা গত ৩ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা থাকলেও এখনো চলমান রয়েছে।
১ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি পত্রে বলা হয়, আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে আবেদনসমূহ নিষ্পত্তি ও অনুমোদন দেবেন এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার অনুমোদনকৃত আবেদনসমূহের অফিস আদেশ জারি নিশ্চিত করবেন। গতকাল কারো কারো আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছে বলেও শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়।
গত ১১ সেপ্টেম্বর জারিকৃত বদলির নীতিমালায় ৩.৩ নম্বর শর্তের বেড়াজালে বদলির আবেদন করতে পারেননি অধিকাংশ শিক্ষক। শর্তে বলা হয়েছে— একজন শিক্ষকের বিপরীতে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪০-এর বেশি হলে আবেদন করার সুযোগ নেই। অর্থাৎ যে বিদ্যালয়ে পাঁচজন শিক্ষকের বিপরীতে ২০১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে সে বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না।
অন্যদিকে পাঁচজন শিক্ষকের বিপরীতে ২০০ জন শিক্ষার্থী আছে সে বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনলাইনে বদলির আবেদন করতে পারবেন। অতিরিক্ত একজন শিক্ষার্থীর জন্য বদলি থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে শিক্ষকদের। বগুড়ার বাগোপাড়া সরাকরি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষিকা রেবেকা ২০০৮ সালে যোগদান করেন। স্কুল থেকে তার বাসার দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার হওয়ায় অনলাইনে বগুড়ার ঠনঠনিয়া সরকারি স্কুলে বদলির আবেদন করেন। এ শিক্ষিকা বদলি হতে পারেননি।
অথচ কাটনার পাড়া সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা পারভীন আক্তার চাকরিতে যোগদান ২০১৬ সালে যার বাসা থেকে স্কুলের দূরত্ব ছিল ছয় কিলোমিটার। এ ছাড়াও তিনি নতুন যোগদানের পর থানা সদর থেকে জেলা সদরে একবার বদলিও হয়ে আসেন। এ শিক্ষিকা ঠনঠনিয়া সরকারি স্কুলে বদলি আদেশ পেয়েছেন।
বাগোপাড়া সরকারি প্রাথমিকের সিনিয়র শিক্ষক রেবেকা আমার সংবাদকে বলেন, ‘কিভাবে আমার জুনিয়র একজন শিক্ষক বদলি অর্ডার পেলেন বুঝলাম না। আমার তো দূরত্ব বেশি সমস্যা। তাহলে অনলাইনে কি সুবিধা হলো— বলে প্রশ্ন রাখেন এ শিক্ষক। রেবেকার মতো বগুড়া জেলায় অনেক অভিযোগ উঠে এসেছে যেখানে জুনিয়র অনেক শিক্ষক নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে বদলি হয়েছেন।’
চুয়াডাঙ্গার দামুড়দা উপজেলার এক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘নীতিমালা অনুযায়ী আমি বদলির জন্য অনলাইনে আবেদন করি। পরবর্তীতে শিক্ষা অফিসার ফোন করে আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, আপনি কেন এই বিদ্যালয়ে আবেদন করেছেন। আমার আবেদনকৃত বিদ্যালয়ে কেউ আবেদন না করলেও শিক্ষা অফিসার আমার আবেদন রিজেক্ট করে দেন।’
নরসিংদী রায়পুর উপজেলার সহকারী শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমার বিদ্যালয় থেকে আমিসহ পাঁচজন বদলির আবেদন করি। এর মধ্যে আমি বাদে অন্য চারজন বদলির অনুমোদন পান। বর্তমান বিদ্যালয় থেকে আমার বাড়ি ১৭ কিলোমিটার। আমি যেখানে আবেদন করেছিলাম সে বিদ্যালয়ে অনুমোদন পেয়েছেন আমার জুনিয়র একজন শিক্ষক, যিনি মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরত্ব দিয়েই বদলির অনুমোদন পেয়েছেন। অথচ আমার আবেদনে প্রকৃত তথ্য ১৭ কিলোমিটার দূরত্ব দেখিয়েও জেলা থেকে আমার আবেদন ফরোয়ার্ড করেননি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে বললে তিনি বলেন, সফটওয়্যারে হয়েছে— আমাদের কোনো হাত নেই।’
কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘তিনটি চয়েস দিয়ে আবেদন করেছিলাম অনলাইনে। আমার বদলিই অনুমোদন হয়নি। আমার দ্বিতীয় চয়েস যে বিদ্যালয়ে ছিল সেখানে আমার তিন বছরের জুনিয়র এক শিক্ষককে বদলি করা হয়েছে। লোহাগড়া উপজেলার বারসমল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সর্ব সিনিয়র শিক্ষক কংকাবতী বদলি হতে না পারলেও অনুমোদন পেয়েছেন সর্বজুনিয়র শিক্ষক বনি সুলতানা।
এ বিষয়ে বনি সুলতানার মোবাইলে ফোন করে যোগদানের তারিখ জানতে চাইলে তিনি বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘আমি কিছু জানি না, এগুলো অফিসের বিষয়’।
এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার মুকুন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারমান চন্দ্র ঋষি বলেন, ‘আমি ও আমার সহকর্মী আইরিন ভুইয়া অন্যত্র এক হাজার ৫০০ বিদ্যালয়াধীন বিদ্যালয়ে বদলির জন্য অনলাইনে আবেদন করি। আমাদের দু’জনের আবেদনই জেলা থেকে অনুমোদন করেছে। আইরিন ভুইয়াকে অফিস আদেশ দেয়া হলেও আমাকে দেয়া হচ্ছে না। এটি স্বেচ্ছাচারিতা ও দ্বৈতনীতির শামিল বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শাহনাজ পারভীন বলেন, দ্বৈতনীতির সুযোগ নেই।
আইরিন ভুইয়া বদলিযোগ্য বিদ্যালয়ে আবেদন করেছেন তাই তাকে আদেশ দেয়া হয়েছে, হারমান চন্দ্র ঋষির অনুমোদিত বিদ্যালয়ের পদটি বদলিযোগ্য নয়, এটি নিয়োগ সাপেক্ষেই কেবল কেউ যোগদান করতে পারবেন। অনলাইনে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার আরশেদ সাজেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলেও, বাস্তবে এ পদে মামলা চলমান।
নন্দিত আনিস নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে (তার প্রকৃত নাম আনিসুর রহমান, ছোটরাঘবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ) বলা হয়েছে, বদলির অনিয়মের জন্য মামলা কোথায় করতে হবে? তিনি ফেসবুকে অভিজ্ঞদের মতামত চেয়েছেন।
আমার সংবাদকে তিনি বলেন, আমার সহকর্মী ও আমি একই সাথে যোগদান এবং একই দূরত্ব দেখিয়ে আবেদন করি। বিদ্যালয়ে দুটি শূন্য পদ থাকলেও তার আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে অথচ আমারটি হয়নি। আরেকটি পদটি শূন্যই রয়ে গেছে। দ্বিতীয় চয়েসে থাকা বিদ্যালয়ে মামলা থাকায় আমার অনুমোদন সেখানেও হবে না বলে জানতে পেরেছি। প্রথমটিতে শূন্য থাকা সত্ত্বেও আমাকে কেন দেয়া হলো না? আবার দ্বিতীয় চয়েজে থাকা বিদ্যালয়ে মামলা থাকার দায় কি আমার? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক শিক্ষক গ্রুপে বদলি নিয়ে নেতিবাচক পোস্ট দেখা যায়, এতে অনেক কমেন্টও এসেছে। যাতে বলা হয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সিনিয়রকে টপকে জুনিয়রের বদলির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কেউ কেউ দূরত্ব মিথ্যা তথ্যর বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার হাচান রাসেল বলেন, আমার বাড়ি নদীভাঙন এলাকায়। নদীভাঙন দেখিয়ে আমি বদলির আবেদন করেছিলাম। সফটও্যারের চাহিত তথ্য অনুযায়ী বর্তমান ঠিকানা থেকে বিদ্যালয়ের দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। স্থায়ী ঠিকানা থেকে আমার বিদ্যালয় ২৮ কিলোমিটার। শিক্ষা অফিসার আমাকে বলেন, বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী হবে না। পরবর্তীতে স্থায়ী ঠিকানার দূরত্বের কথা বললেও আমার আবেদনই বাতিল করে দেয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বলেন, বদলি কিভাবে হলো সেটিই আমরা বুঝতে পারলাম না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সিনিয়র টপকে জুনিয়রকে বদলি করা হয়েছে পোস্ট করা হচ্ছে। আমরা নিজেরাই জানি না, সফটওয়্যারটি কিভাবে কি অনুমোদন করল! অথচ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগের তীর ছোড়া হচ্ছে!’
ঝালকাঠি সদরের একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, আমার নিয়োগ ২০০৩ সালে, আমি দুটি বিদ্যালয়ে বদলির জন্য চয়েস দিয়েছিলাম। প্রথমটিতে ২০১৭ সালে নিয়োগ পাওয়া একজনের হয়েছে, তার দূরত্বও কম ছিল। দ্বিতীয়টিতে আমাকে এখনো ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
আরেক সহকারী শিক্ষক বলেন, আমি ২০১১ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত। আমার বিদ্যালয় থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরত্ব। তিনটি বিদ্যালয়ে চয়েস করেছিলাম। তৃতীয় চয়েসে থাকা বিদ্যালয়ে একজন অনুমোদন পেয়েছেন, যিনি ২০১৭ সালে চাকরিতে যোগদান করেছেন। কোন ক্যাটাগরিতে এত সিনিয়র একজন শিক্ষক অনুমোদন পেলেন তাতে রীতিমতো হতভম্ব হয়েছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তারা জানান, এই উপজেলায় অধিকাংশ অনুমোদিত আবেদন জুনিয়র শিক্ষকদের। তিনজন জুনিয়র শিক্ষক ৪০-৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বদলি হতে পেরেছেন বলে একাধিক শিক্ষক জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করেও মন্তব্য জানা যায়নি। ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত আমার সংবাদকে বলেন, ‘সিনিয়রটি একমাত্র বিষয় নয়, এখানে মহিলা বিষয়টি দেখা হয়, তিনি কত দিন চাকরিতে আছেন, দূরত্বের বিষয়টি দেখা হয়। এই অনেকগুলো জিনিস নিয়ে বিচার বিবেচনা করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘এটি সফটওয়্যারনির্ভর, কেউ ইচ্ছা করলেই এখানে হাত দিতে পারবে না।’ মহাপরিচালকের কাছে বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরলে তিনি তা মেসেজে পাঠিয়ে দিতে বলেন।
এ ছাড়াও অধিদপ্তরের ডিজি আরও বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব অভিযোগ আসছে সবগুলোই পরীক্ষা করে দেখছি।’
তিনি বলেন, ‘অনুমোদন অথিরিটি একমাত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিও) সে শুধু বাটন চাপবে। এখানে তিনটি অপশন আছে, ওইখানে তিনটি অপশনে যদি কারোটার না হয় তাহলে অটো লেখা আসে রিজেক্ট।
আর অনেকেই বলছে টাকা খেয়ে ডিপিও, টিও রিজেক্ট করছেন— এটি ঠিক না। শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, এখন পর্যন্ত ২৫ হাজারের মতো আবেদন করেছে। বদলি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে প্রায় ছয় হাজার ৮০০টি। যেগুলো বদলি হয়েছে এখানে কোনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি, সবগুলোই সঠিকভাবে হয়েছে বলে জানান সরকারের এ কর্মকর্তা।