ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

৬০ বছরে ছাড়তে হবে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের পদ

মো. নাঈমুল হক

জুন ১৪, ২০২৩, ০৯:০৭ এএম

৬০ বছরে ছাড়তে হবে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের পদ
  • পদ না ছাড়লে কল্যাণ ও অবসর সুবিধা বাতিল
  •  চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যাবে সর্বোচ্চ ৬৫ বছর পর্যন্ত
  •  অনুমোদন ছাড়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যাবে না
  •  নিয়োগের খরচ বহন করবে প্রতিষ্ঠান
  •  এই নীতিমালাকে ইতিবাচক দেখছেন শিক্ষকরা

বয়স ৬০ বছরের বেশি হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান থাকতে পারবেন না’ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পক্ষ থেকে গত অক্টোবরে এমন নির্দেশনা দেয়া হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তা লঙ্ঘন করে আসছে। আর এ প্রেক্ষিতে গতকাল ফের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদকে সতর্ক করে নির্দেশনা দেয় মাউশি। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৬০ বছরের বেশি প্রতিষ্ঠানের প্রধান থাকা যাবে না। তবে বিশেষ ঐতিহ্যবাহী বা মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারবে। কিন্তু সর্বোচ্চ ৬৫ বছর নিয়োগ দেয়া যাবে। ৬০ বছরের পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে খরচ বহন করবে প্রতিষ্ঠান। এই নীতিমালাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো মনে করছেন শিক্ষকরা।  

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ১১.১১ ধারায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর। তবে সমপদে বা উচ্চতর পদে (উচ্চতর পদ বলতে শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান বুঝাবে) নিয়োগের ক্ষেত্রে ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিলযোগ্য। শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ ৬০ বছর পর্যন্ত প্রদেয় হবে। তবে ঐতিহ্যবাহী ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এবং সরকারের কোনো আর্থিক সুবিধা বা এমপিও না নেয়ার শর্তে সরকারের অনুমোদনক্রমে শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধানের ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যাবে। 

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকসহ সব দায়ভার বহন করতে হবে এবং সরকার এর কোনো দায় বহন করবে না। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রধানের মেয়াদ সরকারের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও কোনোক্রমেই ৬৫ বছরের বেশি হতে পারবে না— মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রধান পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। সরকারের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনোক্রমেই প্রতিষ্ঠান প্রধান পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যাবে না। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধানের বয়স ৬০ বয়স ৬০ বছরের বেশি হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান থাকতে পারবেন না’ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পক্ষ থেকে গত অক্টোবরে এমন নির্দেশনা দেয়া হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তা লঙ্ঘন করে আসছে। আর এ প্রেক্ষিতে গতকাল ফের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদকে সতর্ক করে নির্দেশনা দেয় মাউশি। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৬০ বছরের বেশি প্রতিষ্ঠানের প্রধান থাকা যাবে না। 

তবে বিশেষ ঐতিহ্যবাহী বা মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারবে। কিন্তু সর্বোচ্চ ৬৫ বছর নিয়োগ দেয়া যাবে। ৬০ বছরের পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে খরচ বহন করবে প্রতিষ্ঠান। এই নীতিমালাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো মনে করছেন শিক্ষকরা।  নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ১১.১১ ধারায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর। তবে সমপদে বা উচ্চতর পদে (উচ্চতর পদ বলতে শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান বুঝাবে) নিয়োগের ক্ষেত্রে ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিলযোগ্য। শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ ৬০ বছর পর্যন্ত প্রদেয় হবে। 

তবে ঐতিহ্যবাহী ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এবং সরকারের কোনো আর্থিক সুবিধা বা এমপিও না নেয়ার শর্তে সরকারের অনুমোদনক্রমে শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধানের ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকসহ সব দায়ভার বহন করতে হবে এবং সরকার এর কোনো দায় বহন করবে না। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রধানের মেয়াদ সরকারের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও কোনোক্রমেই ৬৫ বছরের বেশি হতে পারবে না— মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রধান পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। 

সরকারের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনোক্রমেই প্রতিষ্ঠান প্রধান পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যাবে না। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধানের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরও বিধি মোতাবেক জ্যৈষ্ঠ শিক্ষকের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর না করে বর্ণিত ধারার ভুল ব্যাখ্যা করে স্বপদে থেকেই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অনুমোদনের প্রস্তাব প্রেরণ করছেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি/ব্যবস্থাপনা/ম্যানেজিং কমিটিও উক্তরূপ বিধি বহির্ভূত কাজে সম্পৃক্ত থাকছেন। যা সরকারের নির্দেশনা প্রতিপালন না করার সামিল এবং জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২০২১ এর ১৮.১ (খ) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর আগে ২০২২ সালে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কোনো অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক ৬০ বছর পূর্তিতে অবসরে গেলে সহকারী প্রধান শিক্ষককে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে সহকারী প্রধান শিক্ষক না থাকলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়া সরকারি আদেশের পরিপন্থী। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন এলে সেই তারিখ থেকে তিনি দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণ করতে পারবেন।

জানা যায়, করিমজান মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের আবেদন করেন। কিন্তু তার এই আবেদন বিশ্ববিদ্যালয় গ্রহণ করেনি। 

এরপর গত ৮ জুন বিশ্ববিদ্যালয়টি মাউশির মতো ঠিক একই রকম নির্দেশনা দেয়। মাউশি ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্তকে ভালো উদ্যোগ মনে করছেন শিক্ষকরা। এ ব্যাপারে ভোলার চরফ্যাশন কারামাতিয়া কামিল (এম এ) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, অনেক শিক্ষকই নির্দিষ্ট বয়সের পরও প্রধান শিক্ষকের পদ আঁকড়ে থাকতে চান। এটা ঠিক নয়। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে গতিশীল রাখতে নিয়ম অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধানের পদ পরিবর্তন হওয়া দরকার। ৬০ বছর তো অনেক বয়স। এ বয়সের পর সাধারণত শিক্ষকদের কর্মচাঞ্চল্য স্বাভাবিকভাবে কমে যায়। নরসিংদীর ঘোড়াদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক খন্দকার মামুন বলেন, আমাদের শিক্ষকদের অনেকেই ৭০-৮০ বছর পর্যন্ত এই পদ আঁকড়ে থাকার মানসিকতা লালন করেন। অনেকেই ক্ষমতা সহজে ছাড়তে চান না। মাউশির এ সিদ্ধান্তের ফলে নতুনদের দায়িত্বে আনা যাবে। যারা সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো কাজ করবে।
 

Link copied!